কে রঞ্জন? পরিচয় জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যেহেতু উপেন বিশ্বাস প্রাক্তন সিবিআই কর্তা, তাই তাঁর এই বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে আদালত৷ সূত্রের খবর, এই রঞ্জনের আসল নাম চন্দন মন্ডল৷ পেশায় স্কুল শিক্ষক৷
একদিকে মন্ত্রীদের শিয়রে যখন সিবিআই তাণ্ডব করছে তখন অন্যদিকে শিক্ষকতার চাকরি পেয়ে ঘুষ দিয়েছিলেন যে সব চাকরি প্রার্থীরা তারা ধর্ণা দিতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি। কিন্তু কেন ধর্না? সূত্রের খবর, যোগ্যদের পিছনে ফেলে বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ার পথ আপাতত বন্ধ।
রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের সাথে জড়িয়ে যারা তাঁদের উপর চাপ বাড়িয়ে, ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহরের যোগমায়া এলাকায়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে পাওনাদাররা। এলাকার নেতা বিপ্লব মণ্ডল শিক্ষকতার চাকরি পাইয়ে দেবেন বলে ৪ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে।
মেয়ের নিয়োগ নিয়ে সিবিআইয়ের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন পরেশ। কীভাবে নিয়োগে হল? এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত সবটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই। এরই মধ্যে ভাইরাল এই পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সিবিআই এর হাত থেকে রক্ষা পেতে সুপ্রিম কোর্টে পৃথক মামলা দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টও খারিজ করে দিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের রক্ষাকবচের আবেদন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সবোর্চ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী
ব্রাত্যবাবু এই ব্যাপারে কখনও আমায় কোনও চাপ দেননি। আর মুখ্যমন্ত্রী আমায় তাঁর চেম্বারে ডেকেছিলেন। উনি আমাকে পরিষ্কার ভাষায় বলেছিলেন, কোনও রকমের আপস করবেন না। আপনার সুবিধা মতো বা নিয়মকানুন বাঁচিয়ে রেখে আপনি করে যাবেন।
তাঁকে নিজাম প্যালেসের ১৫ তলায় দুর্নীতিদমন শাখার দফতরে বেশ কিছুক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়। এদিন সিবিআইয়ের কাছে আয়কর সংক্রান্ত নথি ও ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট জমা দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দুপুর ২টো পর্যন্ত নিজামেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্প ও পরিষদীয় মন্ত্রী। তার মধ্যেই তাঁর পিটিশন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।