নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) কথা সামনে আসতেই ‘রঞ্জন’ (Ranjan) নাম ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন সিবিআই কর্তা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উপেন বিশ্বাস তাঁর একটি ফেসবুক ভিডিও বার্তায় রঞ্জনের নামটি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। সেই কাল্পনিক চরিত্র রঞ্জনের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় কোনও সমস্যা হলে দেখার দায়িত্ব স্পিকারের, সাফ জানিয়ে দিল আদালত



এর পরেই রঞ্জনের চরিত্রে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানায় কলকাতা হাইকোর্ট। তারপরেই নিয়োগে দুর্নীতি ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই ‘রঞ্জন’ খুঁজতে তৎপর সিবিআই। প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের কাল্পনিক চরিত্র রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। সেই রেশ ধরে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর। তার সম্পর্কে প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বরের অভিযোগ, ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তৃণমূলে যোগদান করে চন্দন।



বিধায়কের আরও দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ চন্দন। অনেকেই চন্দন মণ্ডলের কাছে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে স্কুলের চাকরিতে ঘুষের অঙ্ক ছিল ৪-৫ লক্ষ টাকা। এখন ১১ লক্ষ টাকা করে দিতে হয়। যে ঘুষ দেয় সেও কিছু বলে না। যে নেয় সেও কিছু বলে না। দুলাল বরের বক্তব্য এবিষয়ে আরও ভালো করে জানেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস।
চাকরির দাম ১১ লক্ষ, তৃণমূলে ঢুকে টাকা খেয়ে শিক্ষক নিয়োগ করায় চন্দন

কে রঞ্জন? পরিচয় জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যেহেতু উপেন বিশ্বাস প্রাক্তন সিবিআই কর্তা, তাই তাঁর এই বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে আদালত৷ সূত্রের খবর, এই রঞ্জনের আসল নাম চন্দন মন্ডল৷ পেশায় স্কুল শিক্ষক৷ প্রয়োজনে সিবিআই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ব্যক্তি সিবিআইকে সাহায্য করবে বলে মত আদালতের।







