নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে শাসক দলের হেভিওয়েট দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং পরেশ অধিকারীর। সিবিআই দুই মন্ত্রীকেই ম্যারাথন জেরা করেছে। পার্থ এবং পরেশকে গ্রেফতার করার দাবিতে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন হবু শিক্ষকরা। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ এবং কার অ্যাকাউন্টে কীভাবে টাকা গেছে তার হদিশ পেতে শুক্রবার থেকে তদন্ত শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।
আরও পড়ুনঃ ‘টাকা ফেরত দিন’, তৃণমূল নেতাদের দুয়ারে ধর্না ঘুষ দেওয়া হবু শিক্ষকদের।


এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতি নিয়ে তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বাঁকুড়ার সোনামুখীতে জনসভা করেন শুভেন্দু৷ সেখানে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে শাসক দলকে একহাত নেন তিনি। সোনামুখীতে শুভেন্দু বলেন, শুধু বাকুড়া জেলা থেকেই চাকরি পাইয়ে দিয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা তুলেছে তৃণমূল নেতারা।

শুভেন্দুর অভিযোগ, এমন কোনও তৃণমূলের নেতা নেই, যার পরিবারের ৫ জন করে সদস্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়নি। বৌ, শালী ছাড়াও তৃণমূল নেতাদের গার্লফ্রেন্ডদেরও চাকরি দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর, অভিযোগ চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মস্মাৎ করেছে তৃণমূল নেতারা।



প্রসঙ্গত, একদিকে মন্ত্রীদের শিয়রে যখন সিবিআই তাণ্ডব করছে তখন অন্যদিকে শিক্ষকতার চাকরি পেয়ে ঘুষ দিয়েছিলেন যে সব চাকরি প্রার্থীরা তারা ধর্ণা দিতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি। কিন্তু কেন ধর্না? সূত্রের খবর, যোগ্যদের পিছনে ফেলে বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়ার পথ আপাতত বন্ধ। তাই যারা টাকা দিয়ে রেখেছিলেন চাকরি পাওয়ার প্রত্যাশায়, তাঁরা এখন টাকা ফেরত চাইছেন।
বেআইনি নিয়োগ থেকে বাঁকুড়া জেলায় ১০০ কোটি টাকা তুলেছে তৃণমূলঃ শুভেন্দু

রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের সাথে জড়িয়ে যারা তাঁদের উপর চাপ বাড়িয়ে, ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট শহরের যোগমায়া এলাকায়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে পাওনাদাররা। এলাকার নেতা বিপ্লব মণ্ডল শিক্ষকতার চাকরি পাইয়ে দেবেন বলে ৪ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে। এখন সেই টাকা ফেরত পেতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওনাদাররা এসে ধর্ণা দিচ্ছেন তাঁর বাড়ির সামনে। অভিযোগ পুলিশে জানিয়েও, কোন লাভ হয়নি।







