আদালতের কাছে ধমক খেয়ে যখন বেরিয়ে আসছেন মানিক তখনও তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। ছুটে আসে একের পর এক প্রশ্ন। মেজাজ হারিয়ে মানিক বলে ফেলেন, ‘‘আমাকে জেলে পাঠিয়ে দাও। আমি জেলে যেতে চাই। জেলের ডাল-রুটি খাব।’’
শুরু হয়েছে হাইকোর্টের নজরদারিতে সিট গঠন করে সিবিআই তদন্ত। শোনা যাচ্ছে প্রাথমিকে চাকরি হারানোর তালিকা আরও লম্বা হতে চলেছে। বেলাইনে ঘুষ দিয়ে নিয়োগ পেয়ে চাকরি হারাতে চলেছেন বহু 'শিক্ষক'। এই দেশের আইন বলে, ঘুষ খাওয়া এবং দেওয়া দুটোই অপরাধ।
ধু প্রশ্ন হল, ধরুন আপনি ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। আপনার চাকরি চলে যাবে, সরকারের টাকা ফেরত দিতে হবে সরকারকে। কিন্তু যারা ঘুষ নিয়ে বেমালুম হজম করলেন চাকরি দিয়ে তাঁদের কি হবে? মোদ্দা কথা হল, কিছু হবে আদৌ?
একই পরিবারের এতজন চাকরিজীবি জেলায় নজিরবিহীন। সিপিআই(এম) বরাবরই অভিযোগ করেছে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল। যেখানে মেধা এবং যোগ্যতা প্রাধান্য পায়নি। আবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সংখ্যাটা অনেক বেশি। এ বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে
সিপিআইএমের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে বিতর্কিত চিরকুটের ছবি সহ কয়েকটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ এই চিরকুট ‘বানানো’। নাহলে কেন ২ রকমের কালি ব্যবহার করা হয়েছে চিঠিতে? তৃণমূলকে কটাক্ষ করে লেখা হয়েছে: “ঘেসোদের জন্য বিশেষ উপদেশ, চিরকুট বানানোর সময় কিছু ব্যাপারে খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয়।" চিরকুট প্রাপ্তির পাল্টা কিছু প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআইএমের সোশ্যাল মিডিয়ার যোদ্ধারা।
সিবিআইএর করা এফআইআরে সরাসরি নাম না থাকলেও যে উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে যামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর করা হয়েছে সেই কমিটির অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।