নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ কে কেন্দ্র করে চরম অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। কখন কোন নেতা বা মন্ত্রীর দুয়ারে সিবিআই কড়া নাড়বে তা নিয়ে রয়েছে চরম উৎকণ্ঠা। রাজ্যের মন্ত্রী পরেশ অধিকারী বা পার্থ চ্যাটার্জীরা ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকদের সামনে চলেছে ম্যারাথন জেরা। এই পরিস্থিতিতে বিস্ফোরক দাবি করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, গত বামফ্রন্ট জমানায় চিরকুটে লিখে চাকরি দেওয়া হতো।
আরও পড়ুনঃ প্রাথমিকে নজিরবিহীন দুর্নীতি, চাকরি হারাতে চলেছেন সাড়ে ১৭ হাজার কর্মরত শিক্ষক!


মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই উৎসাহে নড়েচড়ে বসেন রাজ্যের তৃণমূল নেতা কর্মীরা। শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। কিন্তু অনেক তল্লাশির পরেও পাওয়া যাচ্ছিল না কিছুই। কিন্তু আজ পাওয়া গেল সেই বহুল চর্চিত চিরকুটগুলির একটি। অবশেষে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে একটি চিরকুট মেলে, তাতো সিপিআইএম দলের নাম লেখা চিঠিতে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

ব্যাস হাতে চাঁদ পাওয়ার মত আনন্দে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা সেই চিরকুট ভাইরাল করতে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু আলিমুদ্দিনের তাতে কি যায় আসে। যেই চিরকুট দেখে কিছুটা সিবিআইএর ধাঁচেই একগুচ্ছ প্রশ্নমালা সাজিয়ে তৃণমূলের দিকে ব্রম্ভাস্ত্রের মত নিক্ষেপ করেন লাল পার্টির যোদ্ধারা। ফলে চিরকুট রহস্য আরও জমজমাট হল এবার।



সিপিআইএমের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে বিতর্কিত চিরকুটের ছবি সহ কয়েকটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ এই চিরকুট ‘বানানো’। নাহলে কেন ২ রকমের কালি ব্যবহার করা হয়েছে চিঠিতে? তৃণমূলকে কটাক্ষ করে লেখা হয়েছে: “ঘেসোদের জন্য বিশেষ উপদেশ, চিরকুট বানানোর সময় কিছু ব্যাপারে খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয়।” চিরকুট প্রাপ্তির পাল্টা কিছু প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআইএমের সোশ্যাল মিডিয়ার যোদ্ধারা।
প্রকাশ্যে এল বাম আমলের ‘চাকরির চিরকুট’, রহস্যভেদে CBI-এর জায়গা নিল CPIM

১. চিঠির বয়ান লিখেছেন হাজরা আর সই করার সময় মহম্মদ হয়ে গেল কিভাবে?
২. ডেটগুলো ইংলিশ বাংলা মিলেমিশে বিজেমূল হয়ে গেছে। খেয়াল রাখতে হবে ।
৩. পেন একটাই রাখার চেষ্টা করবেন। ওটা দৃষ্টিকটু
৪. কাগজ যদিও পুরনো কিন্তু লেখাগুলো বড্ড চকচকে।
৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের চিঠিতে সই এর পাশে ডেজিগনেশন থাকা বাধ্যতামূলক যেহেতু ওটা অফিশিয়াল প্যাডের পাতায় লেখা।







