সেই নাবালক চাকরি অর্থাৎ প্রাথমিকে শিক্ষকতা করছেন পুরোদমে, বেতনও নিচ্ছেন। এমন নাবালকের সংখ্যা নাকি ১-২ জন নয়, জনা ২০! সব মিলিয়ে হুলস্থল কাণ্ড চলছে রাজ্য জুড়ে। সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের পদ চলে গিয়েছে আদালতে নির্দেশে। চলছে সিবিআই তদন্ত।
এই নাবালক ২০১৪ সালে যখন টেট পরীক্ষায় বসে তখন তাঁর বয়েস ছিল ১৬ বছর ৯ মাস। অর্থাৎ সাধারণ হিসেবে তখন তার একাদশ শ্রেণীতে পড়ার কথা। অভিযোগ এই নাবালক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। পরে টাকার বিনিময়ে ২০১৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তাকে চাকরির নিয়োগপত্র দেয় পর্ষদ।
এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই৷ তাই স্বচ্ছতা আনতেই ছেঁটে ফেলা হল কল্যাণময়কে৷
ওই বিচারপতি(অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়) কাউকে চাকরি থেকে অপসারণ করছেন। বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ জারি করছেন। কাউকে পদ থেকে সরিয়ে দিচ্ছেন। অথচ, নির্দেশ জারির আগে তাঁদের বক্তব্য শুনছেন না। অভিযোগ যত গুরুতর হোক না কেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ সকলের প্রাপ্য। কিন্তু শিক্ষা সংক্রান্ত মামলায় বিচার ব্যবস্থার সেই মৌলিক কর্তব্য অগ্রাহ্য করছেন বিচারপতি।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত গতকাল হাইকোর্টে বলেছিলেন, পরীক্ষা দিয়েছিলেন প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ২৬৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্ষদ সেই ভুল সংশোধন করতে রাজি। আইনজীবী জানান, ভুলত্রুটি হলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাসংসদের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের সময়টা মোটেই ভাল যাচ্ছেনা। কখনও আদালতের ধমক খেতে হচ্ছে আবার কখনও শুনতে হচ্ছে সাংবাদিকদের চোখা...
২০১৬ সালের নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠতেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। তাই আদালতের সেই নির্দেশ পালন হয়নি। পরিবর্তে কমিশনের আইনজীবী জানান, CBI- এর হাফাজতে SSC-এর সার্ভার রুম,। তাই অনুমতি না পেলে তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।