নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট৷ সেই ঘটনার কয়েক দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে৷ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি হলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, চরম অস্বস্তিতে শিক্ষকরা


বুধবার শিক্ষা দফতর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, আগামী এক বছরের জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি থাকবেন রামানুজ। সভাপতি ছাড়াও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আরও বেশ কয়েক জন আধিকারিক বদল করেছে শিক্ষা দফতর। বলা ভাল, নয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রাজ্য। আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটি মধ্যশিক্ষা পর্ষদে কাজ করবে।

সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে কলকাতা হাইকোর্ট৷ তারপরেই তদন্তে গতি বাড়ায় কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থা৷ একাধিক তথ্য ও প্রমাণের হদিশ পেতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ভবনে পৌঁছে যায় সিবিআইয়ের একটি টিম৷ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পর্ষদের অ্যাডমিন পারমিতা রায় সহ সমস্ত আধিকারিকদের। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কর্মচারীদেরও৷



ওই দিনই পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে পর্ষদ ভবনে তলব করে সিবিআই৷ কিন্তু পর্ষদ ভবনে তিনি উপস্থিত হননি। বাধ্য হয়েই কল্যাণময়ের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই৷ সেখান থেকে নজরবন্দি করে পর্ষদ ভবনে আনা হয় কল্যাণময়কে। প্রায় ১০ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর একাধিক নথি সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যায়া সিবিআই৷
নজিরবিহীন দুর্নীতি ঢাকতে দ্রুত তৎপরতা, সভাপতির পাশাপাশি বদল আধিকারিকদের!

উল্লেখ্য, এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই৷ তাই স্বচ্ছতা আনতেই ছেঁটে ফেলা হল কল্যাণময়কে৷







