Primary Teachers: অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, চরম অস্বস্তিতে শিক্ষকরা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এক ধাক্কায় চাকরী হারিয়েছেন ২৬৯ জন। কিন্তু হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বিপুল সংখ্যক দুর্নীতির বিষয়টি উঠে এসেছে। এরপর থেকে ২০১৪ সালে টেট পাশ করে চাকরী পাওয়া সমস্ত চাকরী প্রার্থীদের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের তরফে নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই নথি দিতে সমস্ত জেলা প্রাথমিক সংসদগুলি স্কুল সাব ইন্সপেক্টরদের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেইমতো সমস্ত শিক্ষকদের নথি জোগাড় শুরু হয়েছে। কিন্তু কোথাও কোথাও অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি। যা দিতে গিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে শিক্ষকদের।

আরও পড়ুনঃ New Cricket: পাল্টে যাচ্ছে ক্রিকেট, আসছে নতুন নিয়ম, দর্শকরা খেলার সাথে সরাসরি যুক্ত হবেন।

শিক্ষকদের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের কাছে নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি, নিয়োগের রিপোর্ট, ২০১৪ সালের টেট, পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, টেট যোগ্যতা অর্জনের নথি সহ একাধিক নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকদের বক্তব্য, তাঁদের কাছে  নিয়োগপত্র সহ অন্যান্য নথি এসআই অফিসে এবং তথ্য ভাণ্ডারে রয়েছে। এখন কোনও কারণে যদি কোনও প্রার্থীর কাছ থেকে আদালত নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি চায় তাহলে তার কাছে অস্বস্তি বাড়ে। কোনও কারণে সেই তথ্য যদি অফিস থেকে হারিয়ে যায় তাহলে তো বেজায় সমস্যায় পড়তে হবে চাকরী প্রার্থীকে।

অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, প্রতিবাদ জানাল বিজেপি 
অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

এবিষয়ে বিজেপি শিক্ষা সেলের কো-কনভেনর পিন্টু পাড়ুই বলেন, এবিষয়ে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। পরে তিনি জানতে পেরেছেন তথ্য ভাণ্ডারে যে তথ্য রয়েছে এবং চাকরী প্রার্থীদের যে তথ্য রয়েছে, সেটা মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপর দুই সেট করে জেরক্স নেওয়া হচ্ছে। এখনও অবধি মুর্শিদাবাদ জেলার চেয়ারম্যান নোটিশ করেছে, অরিজিনাল সমস্ত তথ্য জমা করা বাধ্যতামূলক। উনি এবিষয়ে মুর্শিদাবাদের চেয়রাম্যানের সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলেছি, উনি বললেন দেখছি। কিন্তু বাস্তবে এসআইরা চাপ দিচ্ছে। কিন্তু শিক্ষকরা দিতে চাইছে না। যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী দিনে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে শুরু করেছে। এখন অরিজিনাল তথ্য না পেলে আদালতেও তাঁর পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।

বিজেপি নেতার অভিযোগ, এই অরিজিনাল তথ্য শিক্ষকদের থেকে নেওয়ার সময় পরিবর্তে লিখিত কিছু দেওয়া হচ্ছে না। ফলত, এই তথ্য হারিয়ে যাওয়ার দায় নিচ্ছে না সরকারী আধিকারিকরা। একাধিক পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া একাধিক জেলায় তথ্য ভাণ্ডার থেকে তথ্য নিয়ে সেটা কর্মরত শিক্ষকের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে জেরক্স জমা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদ সহ বেশ কয়েকটি জেলায় অরিজিনাল কপি জমা নেওয়া হচ্ছে।  এটা করে আসলে শিক্ষকদের বিপাকে ফেলা হচ্ছে। তাই আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, প্রতিবাদ জানাল বিজেপি 

অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, প্রতিবাদ জানাল বিজেপি 
অরিজিনাল তথ্য চেয়ে পাঠাল প্রাথমিক সংসদগুলি, প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

সূত্রের খবর, ২০১৪ সালের টেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সাড়ে ১৬ হাজার জন চাকরী পেয়েছে। সকলের তথ্য চেয়ে পাঠানোয় প্রত্যেজকেই তদন্তের আওতায় চলে এসেছে। এই নথি খতিয়ে দেখতে পারে সিবিআই।