TET Scam: শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, অপসারিত মন্ত্রী, পদত্যাগ ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা প্রাথমিক সংসদের চেয়ারম্যান এর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন কৃষ্ণেন্দু বিশুই। আজ, রবিবার ফেসবুকে নিজেই সে কথা জানিয়েছেন। নিজের পদত্যাগ করার কথা ফেসবুকে লিখেছেন তিনি, তবে কারণ ব্যাখ্যা করেননি। সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে কৃষ্ণেন্দুবাবু জানিয়েছেন তিনি ভীষণ চাপে রয়েছেন। এমনকী তাঁর ফোন ট্যাগ হচ্ছে। চাপ নিতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পাশ করা তো দূর, পরীক্ষাতেই বসেননি! কয়েক হাজার ‘জাল’ শিক্ষক শিক্ষকতা করছেন প্রাথমিকে!

একই দিনে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন মন্ত্রী হিতেন বর্মন কে। তাঁর জায়গায় এলেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল মাত্র কয়েকমাস আগে হিতেন কে ওই পদে বসানো হয়েছিল। তাই এত দ্রুত তাঁকে কেন সরিয়ে দেওয়া হল পদ থেকে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের দাবি দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে পড়তে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীর তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, অপসারিত মন্ত্রী, পদত্যাগ ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের!
শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, অপসারিত মন্ত্রী, পদত্যাগ ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের!

২০১৪ সালে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই মতো টেটের পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর। ফলপ্রকাশ হয় ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে। ওই বছরই প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। পরের বছর অর্থাৎ, ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বা অতিরিক্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। এই নিয়োগে প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৪২ হাজার প্রার্থীকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

nabanna

অভিযোগ, এই ৪২ হাজার শিক্ষকের মধ্যে অধিকাংশই নিয়োগ পেয়েছে বেলাইনে। সেই শিক্ষকদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার। সেই কারনেই ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসাবে চাকরিতে যোগদানকারী প্রার্থীদের সব আসল তথ্য সহ এই সংক্রান্ত রেকর্ড ও ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে সব জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদের চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ

শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি, অপসারিত মন্ত্রী, পদত্যাগ ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যানের!

hiten

সূত্রের দাবি, পর্ষদ এক নাবালককেও শিক্ষকের চাকরির পরীক্ষায় বসার অনুমতি দিয়েছিল। যদিও সে অকৃতকার্য হয়। তবুও তার হাতে আসে চাকরির অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার। পর্ষদ তাকে ২০১৭ সালে প্রাথমিকের শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করার নিয়োগপত্র দেয়। সেই নাবালক চাকরি অর্থাৎ প্রাথমিকে শিক্ষকতা করছেন পুরোদমে, বেতনও নিচ্ছেন। এমন নাবালকের সংখ্যা নাকি ১-২ জন নয়, জনা ২০! সব মিলিয়ে হুলস্থল কাণ্ড চলছে রাজ্য জুড়ে। সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের পদ চলে গিয়েছে আদালতে নির্দেশে। চলছে সিবিআই তদন্ত।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত