TET: প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, ১০ টি প্রশ্নের জবাব দিলেই বাঁচবে চাকরি!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৪ সালে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই মতো টেটের পরীক্ষা হয় ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর। ফলপ্রকাশ হয় ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে। ওই বছরই প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। পরের বছর অর্থাৎ, ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বা অতিরিক্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। এই নিয়োগে প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৪২ হাজার প্রার্থীকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ SSC Scam: নজিরবিহীন দুর্নীতি ঢাকতে দ্রুত তৎপরতা, সভাপতির পাশাপাশি বদল আধিকারিকদের!

সূত্রের খবর, এই ৪২ হাজার শিক্ষকের মধ্যে অধিকাংশই নিয়োগ পেয়েছে বেলাইনে। সেই শিক্ষকদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার। সেই কারনেই ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটে উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা হিসাবে চাকরিতে যোগদানকারী প্রার্থীদের সব আসল তথ্য সহ এই সংক্রান্ত রেকর্ড ও ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে সব জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদের চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ

cbi 1653035915

আর তাতেই সমস্যায় পড়েছেন হাজার হাজার কর্মরত শিক্ষক। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে তথ্য সংগ্রহের কাজ। জেলা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষায় পাশ করে যারা ২০১৭ থেকে ২০২০ এর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সকলের নথি পাঠাতে হবে৷ চাওয়া হয়েছে পরীক্ষার্থীদের নিয়োগপত্রের কপি সহ একাধিক তথ্য৷

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, ১০ টি প্রশ্নের জবাব দিলেই বাঁচবে চাকরি!

343127 tethighcourt

সূত্রের খবর, মোট ১০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ২০১৪ সালের টেট পাশ করা শিক্ষকদের। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা রয়েছে সেই ১০ টি বিষয়। ১) নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি ২) চাকরিতে যগদানের রিপোর্ট ৩) ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ৪) টেটে যোগ্যতা অর্জনের তথ্য ৫) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশিক্ষনের শংসাপত্র ৬) জাতিগত শংসাপত্র(যদি থাকে)

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, ১০ টি প্রশ্নের জবাব দিলেই বাঁচবে চাকরি!
প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্যে সুখবর, ১০ টি প্রশ্নের জবাব দিলেই বাঁচবে চাকরি!

৭) সর্বস্তরের পরীক্ষার মার্কশীট, অ্যাডমিট কার্ড ৮) পার্শ্ব শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত প্যারাটিচার এনগেজমেন্ট লেটার। ৯) কোন কাজের অভিজ্ঞতা যদি থাকে তাহলে তাঁর শংসাপত্র এবং ১০) ২০১৪ সালের টেট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত গতকাল হাইকোর্টে বলেছিলেন, পরীক্ষা দিয়েছিলেন প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ২৬৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্ষদ সেই ভুল সংশোধন করতে রাজি। আইনজীবী জানান, ভুলত্রুটি হলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক। যদিও সেই আর্জি মানেনি কলকাতা হাই কোর্ট। মাত্র ১০ মিনিটের শুনানি শেষে হাই কোর্ট জানায় আগামী বৃহস্পতিবার আবার এই মামলা শোনা হবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন