কলকাতার রানুচ্ছায়া মঞ্চে বাংলা পক্ষর প্রতিবাদ সভায় যোগ দিয়েছিলেন দূর-দূরান্তের নানা জেলা থেকে টেট-পাশ মেধাবী বাঙালি ছাত্রছাত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনরত হবু শিক্ষকরা। ভিন রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ বন্ধ হোক, এবার সরব বাংলা পক্ষ।
এজলাস বয়কটের ঘটনা নিয়ে এবার সরব হলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তাঁর কথায়, এভাবে চলতে পারে না। এটা সরকারের জন্য ক্ষতি। এতে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সমাজের জন্য এটা সুস্থ ব্যবস্থা নয়।
এখনও অবধি সরকারের তরফে কোনও স্বস্তির বার্তা মেলেনি। তাই বুধবার থেকে নিজেদের ধর্না জারি রেখেছেন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিক এবং বিনিতা ফোগাট সহ অন্যান্যরা। বিজেপি সাংসদ তথা ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ব্রিজ ভুষণ শরণ সিংয়ের জেল হেফাজতের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা। রাতভর বৈঠকে কাটল না জট, সকাল থেকে ফের ধর্নায় কুস্তিগীররা।
গত সোমবার থেকেই বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস ঘিরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আইনজীবীরা। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বয়ে চলেছে সমালোচনার ঝড়। এবার তা নিয়ে নতুন বক্তব্য এল বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে। বিক্ষোভকারীদের পাশে বার অ্যাসোসিয়েশন নেই। চিঠি দিয়ে জানাল হল প্রধান বিচারপতিকে।
আগামী ১৬ জানুয়ারি ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলের সামনে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের একাধিক সংগঠন। কিন্তু সোমবার মিছিল নয়। জানালেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। ১৬ এর পরিবর্তে ১৮। তাঁর কথায়, ১৭ তারিখ গঙ্গাসাগর মেলা শেষ হচ্ছে। ১৬ জানুয়ারির পরিবর্তে ১৮ জানুয়ারি রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে মিছিল করতে পারবেন তাঁরা।
তকাল তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট চত্ত্বরে পড়েছিল পোস্টার। এজলাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট চত্ত্বরে। পোস্টারে সরাসরি বলা হয়েছিল ইনি বিচারের নামে কলঙ্ক। এবার সেই বিচারপতি রাজাশেখর মান্থাকে বয়কটের প্রস্তাব আনলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীদের একাংশ।