তারা মনে করছেন এই পরিস্থিতিতে যদি কোন একজন আন্দোলনরত কোন একজন জুনিয়র চিকিৎসকের কিছু করে দেওয়া যায় তাহলে সেই দায় সম্পূর্ণ রাজ্য সরকারের উপর এসে বর্তায়।
পুলিশের করা ব্যারিকেডে কোনরুপ ভাঙচুর না করেই জুনিয়র চিকিৎসকরা ত্রিপল পেতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভে বসে যায়। কারণ তারা এই সাস্থ্যভবন অভিযান শুরুর প্রথম থেকেই বলে এসেছিল যে তাদের এই আন্দোলন শান্তি পূর্ণ এবং সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক।
৯ অগস্ট আরজি করে এক তরুণী চিকিৎসক ধর্ষিতা এবং খুন হন। এরপর থেকেই চলছে লাগাতার প্রতিবাদ। তিন বার রাত দখলের ডাক দিয়েছেন মহিলারা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন প্রত্যেকেই। সবার দাবি একটাই, উই ওয়ান্ট জাস্টিস।
আরজি কর হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে ও বিচার চেয়ে ইতিমধ্যেই রাস্তায় নেমেছে সর্বস্তরের মানুষ। আর এই আবহেই সাধারণ মানুষের...
তিলোত্তমার ছবি রাস্তায় যে আঁকা থাকবে, এই রাস্তা দিয়ে অনেকে হাঁটাচলা করবে। তার ওপর পা পড়বে। যারা এঁকেছে, তাদের কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই। আমরাও জাস্টিস চাই। কিন্তু এই জাস্টিসের নাম করে সিপিএম ও বিজেপির দালালরা অন্য খেলা খেলতে চাইছে।
অভিনেত্রীকে দেখা মাত্র আন্দোলনকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং গো-ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করেন তুমুল হই হট্টগোলের পরিস্থিতি তৈরি হয় শ্যামবাজারে ঋতুপর্ণা কে প্রথমে গোল করে বিক্ষোভ দেখানোর পর তিনি চিকিৎসকদের মাঝখানে গিয়ে বসেন।
এবার বুধবার সেই ঘটনায় ঘটলো কলকাতা হাই কোর্টেও। অর্থাৎ প্রত্যেকে প্ল্যাকার্ড হাতে দীর্ঘ মানব-বন্ধনের মাধ্যমে একই স্লোগান তুলেন, 'জাস্টিস ফর আরজি কর'। সময় জট গড়ায় ততই সেই মানব-বন্ধন আরও বৃহত্তর হয়। একে একে সমস্ত স্তরের আইনজীবীরা যোগডান করেন এই কর্মসূচিতে।