৪ অগস্টের পর বুধবারও ফের হামলা। প্রতিবাদীদের হাতের মোমবাতি নিভিয়ে হামলা! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল কোচবিহারের মাথাভাঙায়। গোটা বাংলা যখন পথে নেমে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তখন মাথাভাঙায় মুছে দেওয়া হল রাস্তায় লেখা স্লোগান, ছবি। অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে।ছবি এঁকে, গান গেয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। আচমকা একদল লোক এসে জল ঢেলে সব আঁকা মুছে দেন বলে অভিযোগ। প্রতিবাদীরা রীতিমতো চমকে যান এই আকস্মিক হামলায়। এই বিষয়ে কথা বলার জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হল তিনি জানান, তিনি কলকাতায় আছেন। এই বিষয়ে কিছু জানেন না, তাই কথা বলবেন না।
তৃণমূলের শহর সভাপতির আঁকা মোছার কথা স্বীকার করে নেন। শুধু তাই নয়, যুক্তি দিয়ে বোঝান, কেন এমন করা হল। তিনি বলেন, “তিলোত্তমার ছবি রাস্তায় যে আঁকা থাকবে, এই রাস্তা দিয়ে অনেকে হাঁটাচলা করবে। তার ওপর পা পড়বে। যারা এঁকেছে, তাদের কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই। আমরাও জাস্টিস চাই। কিন্তু এই জাস্টিসের নাম করে সিপিএম ও বিজেপির দালালরা অন্য খেলা খেলতে চাইছে। তার প্রতিবাদ জানাই।” শুধু ছবি আঁকাই নয়, রীতিমতো ধস্তাধস্তির ছবিও দেখা যায় মাথাভাঙায়।এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, “এটা আসলে ফোঁস করা হচ্ছে। তবে বাংলার মানুষ ওইসব ফোঁসকে ভয় পায় না।”


অন্যদিকে, প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটে বারাসাতেও। সেখানেও দীর্ঘক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভের কারণে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। নির্দিষ্ট সময়ের পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের অবস্থান তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বারাসাত থানার পুলিশের সেই প্রস্তাবে কোনরকম কর্ণপাত করেনি বিক্ষোভকারীরা। মধ্যরাত পার হয়ে গেলেও অবস্থান-বিক্ষোভ না ওঠায় বারাসাত পুলিশের এসডিপিও, আইসি সহ বিশাল মহিলা পুলিশের বাহিনী আসে বারাসাত কলোনী মোড়ে।
মধ্যরাতে রীতিমতো বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি এবং এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বারাসাত থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই সমাজিক মাধ্যমে মধ্যরাতের পুলিশের সঙ্গে আমজনতার ধস্তাধস্তির ও আটকের ছবি ভাইরাল হয়। সেই ছবি দেখে সকাল থেকেই ফের উত্তেজনা শুরু হয় বারাসাত জুড়ে।







