গত ১৪ ই আগস্ট এর পর ফের একবার বুধবার গোটা রাজ্যব্যাপী রাত দখলের ডাক দেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজ এবং চিকিৎসকেরা। এই আহ্বানে হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাত্রিবেলা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নিজস্ব ভাষায় প্রতিবাদ জানান। ঠিক সেরকমই শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে চলছিল প্রতিবাদ। তখন রাত প্রায় দেড়টা বাজে হঠাৎ করেই ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত আন্দোলনকে সমর্থন করাই ছিল তার উদ্দেশ্য।
যদিও অভিনেত্রীকে দেখা মাত্র আন্দোলনকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং গো ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করেন তুমুল হই হট্টগোলের পরিস্থিতি তৈরি হয় শ্যামবাজারে ঋতুপর্ণা কে প্রথমে গোল করে বিক্ষোভ দেখানোর পর তিনি চিকিৎসকদের মাঝখানে গিয়ে বসেন কিন্তু সেখানেও তাকে থাকতে দিতে নারাজ ছিলেন সাধারণ মানুষ। তাকে জোর করে তুলে দেওয়া হয় প্রচন্ড হুড়োহুড়িতে এক ব্যক্তির ঋতুপর্ণার গায়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন কার্যত সাধারণ মানুষের তাড়া খেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কোনক্রমে পালাতে বাধ্য হন অভিনেত্রী। তার গাড়ির পিছনেও ধাওয়া করতে থাকেন রাত দখলে অংশগ্রহণকারী আন্দোলনকারীরা, তার গাড়ির উদ্দেশ্যে জলের বোতল ছুড়ে মারা হয় আন্দোলনকারীদের বক্তব্য ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কে তাদের প্রয়োজন নেই।


গত নয় আগস্ট আরজিকর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয় ময়নাতদন্তের পর জানা যায় চেস্ট মেডিসিন বিভাগের ওই চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা দেশ সমাজের সকল স্তরের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন এই ঘটনায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত একেবারে শুরুর দিকে শাক বাজিয়ে প্রতিবাদ জানান।
কিন্তু সেই শাঁখের আওয়াজ তিনি সাউন্ড বক্সে বাজিয়েছিলেন কেবল অভিনয় করে শঙ্খ বাজাচ্ছেন সেটা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন আর ঋতুপর্ণার এই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে রাতারাতি ভাইরাল হয় এবং তিনি কটাক্ষের শিকার হন তারপর থেকে আরজিকর ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় ঋতুপর্ণা ঘোষ কে নিয়ে সমাজ মাধ্যমে লাগাতার ট্রল হয়ে চলেছে এমনকি ট্রোল হচ্ছে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কে নিয়েও কারণ তিনিও আন্দোলনে হাসি মুখে ছবি তুলেছিলেন।







