রাত পেরিয়ে ভোর স্বাস্থ্যভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে অনড় আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। লাল বাজারের পর ফের স্বাস্থ্যভবন অভিযানেও একাধিক দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তারা। বেলা বাড়তেই ক্রমশ তাদের এই আন্দোলন ক্রমেই পরিণত হয় জন আন্দোলনে। অর্থাৎ তাদের এই আন্দোলনে যোগ দেন শহরের বহু সাধারণ মানুষ। আর ঠিক একই রকম ভাবে আজ ঠিক বেলা সাড়ে ১২টার সময় তাদের এই অবস্থান বিক্ষোভের সামনে এসে উপস্থিৎ হন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। আর তখনই তাঁকে ঘিরে গো-ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা।
গতকাল থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে পুলিশের করা ব্যারিকেডে কোনরুপ ভাঙচুর না করেই জুনিয়র চিকিৎসকরা ত্রিপল পেতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভে বসে যায়। কারণ তারা এই সাস্থ্যভবন অভিযান শুরুর প্রথম থেকেই বলে এসেছিল যে তাদের এই আন্দোলন শান্তি পূর্ণ এবং সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। কিন্তু এদিন হঠাৎ করেই অগ্নিমিত্রা পালকে দেখেই তারা ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকে। তবে অগ্নিমিত্রার দাবি, তিনি ওই চিকিৎসকদের আন্দোলনে যোগ দিতে আসেনি। তিনি বলেন,”আমার এই পার্টি অফিসে মিটিং রয়েছে সেখানেই যোগ দিতে এই রাস্তা ধরে যাচ্ছিলাম। কারণ রাস্তার মধ্যে তারা অবস্থান বিক্ষোভ করায় রাস্তার দুদিক ই বন্ধ রয়েছে। তাই আমি দূরে গাড়ি রেখে এই পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছিলাম। কিন্তু ওনারা ভেবেছেন আমি ওদের আন্দোলনে যোগ দিতে এসেছি।”


যদিও আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানান,”আমাদের এই আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক কিন্তু তাই কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কে এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে দিতে চাই না।” এরপর অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতি সম্পর্কে তারা বলেন,”উনি আমদের এখানে দাঁড়িয়ে প্রেসমিট করছে যেটা আমরা চাইছিনা। উনি প্রেসমিট করতে চাইলে দূরে গিয়ে করতে পারেন।”







