নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকারের দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। এখন স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে রাজপথে বসে সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা। আগামী ১৬ জানুয়ারি ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলের সামনে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের একাধিক সংগঠন। কিন্তু সোমবার মিছিল নয়। জানালেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। ১৬ এর পরিবর্তে ১৮। তাঁর কথায়, ১৭ তারিখ গঙ্গাসাগর মেলা শেষ হচ্ছে। ১৬ জানুয়ারির পরিবর্তে ১৮ জানুয়ারি রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে মিছিল করতে পারবেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ Income Tax Raid: রাজ্যজুড়ে বিরাট অভিযানে আয়কর বিভাগ, নজরে তৃণমূলের বিধায়ক-কাউন্সিলররা


ওই দিন হাওড়া, শিয়ালদহ এবং কলেজ স্কোয়ারে এসে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল আন্দোলনকারীদের। সেখান থেকে মিছিলও করে ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলের সামনে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিনের সমাবেশে সমস্ত বুদ্ধজীবী, শিক্ষাবিদ সহ সমস্ত সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেই মিছিলের আবেদন পায়নি চাকরি প্রার্থীরা। এখন আদালতের হস্তক্ষেপে মিলল অনুমতি।

তাঁদের বক্তব্য, নিয়োগে দুর্নীতির কারণে হাজার হাজার চাকরি প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। ন্যায্য চাকরি প্রার্থীদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজপথে বসে দিন গুনছেন তাঁরা। কোনও আন্দোলনমঞ্চ পার করেছে ১০০ দিন। আবার কোনও আন্দোলন মঞ্চ ৭০০ দিনের মাথায় পড়তে চলেছে। সকল স্তরের চাকরি প্রার্থীদের একটাই দাবি,তারা দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত, তাদের ন্যায্য চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। অবিলম্বে তাদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে।
১৬ এর পরিবর্তে ১৮, রায় দিল হাইকোর্ট

এই মুহুর্তে নিয়োগ দুর্নীতির কারণে বহু জন চাকরি হারিয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান থেকে একাধিক আধিকারিকরা, জেলে রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আবার আদালতের হস্তক্ষেপে চাকরি পেয়েছেন অনেকেই। কিন্তু দীর্ঘ বছরে ধরে অপেক্ষা এবং আন্দোলনের পর এখনও করত সময় গুনতে হবে? প্রশ্ন হবু শিক্ষকদের।









