নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে বিরাট অভিযানে আয়কর বিভাগ। জেলা থেকে রাজধানীতে চলছে অভিযান। নজরে তৃণমূলের বিধায়ক থেকে কাউন্সিলররা। তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বিড়ির ফ্যাক্টরিতে হানা আয়কর বিভাগের। বুধবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের আনন্দ বিড়ি ফ্যাক্টরি, বিজলি বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং সুতির বিধায়ক জাকিরের শিব বিড়ি ফ্যাক্টরিতে হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি চালকলে হানা দিয়েছে আয়কর বিভাগের অফিসাররা।


জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১ টা নাগাদ মসেরগঞ্জের গোবিন্দপুরের আনন্দ ফ্যাক্টরি এবং সুতির শিব বিড়ি ফ্যাক্টরিতে জঙ্গিপুর চালকলে চলে আয়কর বিভাগের তল্লাশি অভিযান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর দফায় দফায় চলছে অভিযান। খরিয়ে দেখা হচ্ছে সমস্ত তথ্য।

অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের হোটেলে আয়কর বিভাগের অফিসারদের হানা। ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমিরুদ্দিন ববির হোটেলে আয়কর দফতরের আধিকারিকদের হানা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই চলছে তল্লাশি অভিযান।
সূত্রের খবর, সকাল ৭ টা নাগাদ এজিসি বোস রোডের ওপর এই হোটেলে হানা দেয় তদন্তকারী অফিসাররা। আয়ের সঙ্গে হিসেব বহির্ভুত অভিযোগের খবর পেয়েই হানা দিয়েছে তাঁরা। জানা গেছে, হোটেলের সমস্ত দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে সিআরপিএফ। তাঁদের নজরদারিতে চলছে এই অভিযান।


রাজ্যজুড়ে বিরাট অভিযানে আয়কর বিভাগ, একাধিক জায়গায় হানা

একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে শাসক দলের বহু নেতাদের। শহরের একাধিক প্রান্ত থেকে বারবার রাশি রাশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এমনকি জেলেও রয়েছেন বহু শাসক দলের নেতারা। কী কারণে শাসক দলের কাউন্সিলরের হোটেলে হানা দিল তদন্তকারী অফিসাররা? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।








