এসএফআই (SFI) নেত্রী আফরিন জানিয়েছেন, "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) ধর্ম নিরপেক্ষ মনোভাবের পড়ুয়ার সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। শুনেছি, একজন ছাত্র এই স্ক্রিনিং-এর উদ্যোগ নিয়েছে। আসলে ধর্মীয় উস্কানি দিতে চাইছে। এটা যাদবপুরের সংস্কৃতি বিরুদ্ধ। বিভাজনমূলক রাজনীতি এখানে চলবে না। আমরা যতটুকু জানি কর্তৃপক্ষও এই স্ক্রিনিং-এর অনুমতি দেয়নি। ছাত্রছাত্রীরা অবশ্যই বয়কট করবে। আমরা বিকল্প সংস্কৃতির পরিচয় দেব।"
কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁকে বহিষ্কার করলেন রাজ্যপাল। এনিয়ে ফের শুরু হল চর্চা। রবিবার যাদবপুরে সমাবর্তন হওয়ার কথা। তাঁর আগেই সিভি আনন্দ বোসের এই পদক্ষেপ অনেক প্রশ্ন তৈরি করছে।
পরিবারের অভিযোগ, হস্টেলে ওই পড়ুয়া শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের শিকার হয়েছিল।অভিযোগের আঙুল ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়েরই কয়েকজন প্রাক্তনী ও সিনিয়রের দিকে। তাঁদের মধ্যে আপাতত ৬ জন রয়েছেন জেলে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় এবার কড়া অবস্থান নিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ৬ জনের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হল। শনিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রেজিস্ট্রার অফিস থেকে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিটি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দফতরে।