এসএফআই এবং অন্যান্য বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিবাদ করা হয় এবং রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। তাঁরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেন।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর বর্বরোচিত হামলার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় ধীক্কার মিছিলে নেমে আসা হয়েছে। মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন তৃণমূল নেতা শ্রী অরূপ বিশ্বাস এবং টালিগঞ্জের সকল নেতা-কর্মীকে এই মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তৎপর রয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছে যে নতুন করে উত্তেজনা যাতে না ছড়ায়, সেই দিকে নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত তথ্য বের করার চেষ্টা করছে।
তাঁরা এসেছিল মূলত ভেতরে ঢুকে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাতে। কিন্তু তাঁদের গেটের বাইরেই আটকে দেয় আরজি করের ছাত্রছাত্রীরা। দিতে থাকে গো-ব্যাক স্লোগান। তাঁদের দাবি আরজিকরের আন্দোলনে কোন রাজনীতির রঙ লাগতে দেবেনা।
গত বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্য পড়তে এসে হস্টেলে র্যাগিং-এর শিকার হয়ে অকালে ঝরে যায় একটি তরতাজা প্রাণ। ঘটনার বছর না ঘুরতেই ফের একবার শিরোনামে যাদবপুরের মেন হস্টেলে। এ প্রসঙ্গে হস্টেলের মেডিক্যাল সুপারিন্টেডেন্ট মিতালী দেবী জানিয়েছেন, "আমরা তখনই অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওর প্যানিক অ্যাটাক হয়েছিল। এখন সুস্থ রয়েছে। ওর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনেছে অন্য ছাত্ররা।"
প্রথম বর্ষের স্নাতকোত্তর ছাত্রীকে যৌন প্রস্তাব দেবার অভিযোগ উঠল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অভিযোগকারী এই ছাত্রী। তিনি ইতিমধ্যেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু-সহ বিশ্ব বিদ্যালয়ের শীর্ষ পদাধিকারীদের ই-মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন।
পাল্টা, এভিবিপি (AVBP) নেতা দেবাঞ্জন পাল বলেন, “যাদবপুরে (Jadavpur University) র্যাগিং করা কিছু ছাত্রছাত্রী রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার স্ক্রিনিং আটকাতে চাইছে। রাম মন্দির শুধু হিন্দু নয়, গোটা দেশের আবেগ। সবাই রাম মন্দিরের জয়গান করছে। সেখানে র্যাগিং করা যাদবপুরের কয়েকজন কম বয়সী ছেলে স্ক্রিনিং আটকাতে পারবে না।”