যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অতিবাম ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের প্রতিবাদ মুখে, মন্ত্রীর গাড়ি আটকে এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর শিক্ষামন্ত্রী প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সংগঠন আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং তিনি সুস্থ আছেন।
ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘আমি চিন্তিত আমার অধ্যাপকদের নিয়ে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার তিন সহকর্মী থানায় গিয়েছে। তবে আমাকে উপাচার্য পুলিশ ডাকতে বললেও আমি রাজি হয়নি। আমি আলোচনায় রাজি ছিলাম। এসএফআই আমাকে এসে ডেপুটেশন দিয়েছে, কিন্তু তারা চল্লিশ জনের সঙ্গে দেখা করতে বলে। আমি বলেছিলাম, চার জনের সঙ্গে দেখা করব।’’


শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ‘‘কয়েকটা ছেলে এসে আমার গাড়িতে ইট মারে এবং আমার গাড়ির কাঁচ লক্ষ্য করে ঘুষি মারে। আমার চালকের পোষাকে কাঁচ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আমাকে আমার এক নিরাপত্তা রক্ষী পেছনের সিটে নিয়ে যায়।’’
ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, ‘‘হেনস্থার জেরে আহত হয়েছি। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমি এসএসকেএম হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে গিয়েছি।’’ এই হামলার প্রতিবাদে, তৃণমূল কংগ্রেস আজ, শনিবার সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় সুকান্ত সেতু থেকে ধীক্কার মিছিল আয়োজন করেছে। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল নেতা শ্রী অরূপ বিশ্বাস।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচি


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর বর্বরোচিত হামলার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শনিবার সন্ধ্যায় ধীক্কার মিছিলে নেমে আসা হয়েছে। মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন তৃণমূল নেতা শ্রী অরূপ বিশ্বাস এবং টালিগঞ্জের সকল নেতা-কর্মীকে এই মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।







