আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নামও উঠে এসেছে। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতির কথা জেনেও কেন রাজনৈতিক নেতারা সেখানে আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন?"
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, ছাত্র আন্দোলন এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। উপাচার্যের বক্তব্যের পর, ছাত্রভোট আদৌ হবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এ ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ৪ মার্চ রাত থেকে ছাত্ররা ধরনায় বসেন এবং অরবিন্দ ভবনের সামনে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারীরা উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেন এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলা দায়েরের দাবি তোলেন।
ভাস্কর গুপ্ত মঙ্গলবার জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল না থাকায় তিনি ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন। "যতদিন না আমি পুরোপুরি সুস্থ হচ্ছি, ততদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা সম্ভব নয়,"—এমনটাই বলেছেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটনার পর, আহত ছাত্রদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ দায়ের করার বিষয়টি ইন্দ্রানুজের পিতা ব্রাত্য বসুর নজরে আনেন। তিনি জানান, বড়দের উচিত ছোটদের ভুলকে সহানুভূতির সাথে দেখা, আর তাই এই পরিস্থিতি থেকে সমাধান খোঁজা উচিত।