নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রমৃত্যুর পর বিতর্কের মাঝেই রাতারাতি বুদ্ধদেব সাউকে অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Bose removed JU VC)। কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁকে বহিষ্কার করলেন রাজ্যপাল। এনিয়ে ফের শুরু হল চর্চা। রবিবার যাদবপুরে সমাবর্তন হওয়ার কথা। তাঁর আগেই সিভি আনন্দ বোসের এই পদক্ষেপ অনেক প্রশ্ন তৈরি করছে।



আরও পড়ুন: ‘আমরা নিয়োগ করার সুযোগ চাই’, টেট পরীক্ষার্থীদের কী বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী?
রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) সমাবর্তন। এই সমাবর্তনে অনুমতি ছিল না রাজ্যপাল তথা আচার্যের। কিন্তু এরপরও প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু সমাবর্তনের একদিন আগেই অস্থায়ী উপাচার্যের অপসারণের পর সমাবর্তন কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রাজভবন সূত্রে খবর, কোট মিটিং করা নিয়ে রাজ্যপাল যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তা অমান্য করার প্রেক্ষিতেই কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন সিভি আনন্দ বোস। কয়েকদিন আগেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বুদ্ধদেব সাউ। রাজ্যপালের সায় না থাকা সত্ত্বেও সমাবর্তনের আয়োজন করেছিলেন তিনি। প্রতিবছর এই দিনেই সমাবর্তন হয়ে থাকে। ইউজিসির (UGC) চেয়ারম্যানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। হয়তো এই প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান হবে না।



এছাড়াও প্রশ্ন উঠছে, সমাবর্তন কি উপাচার্য ছাড়া সম্ভব? কিন্তু অধিকাংশের মতে, সমাবর্তন যে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন বুদ্ধদেব সাউকে রাজভবনের বাইরে দেখা যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অপসারণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বাইরে আছি, বিষয়টা দেখছি।’
যাদবপুরের উপাচার্যকে সরালেন রাজ্যপাল, বহিষ্কৃত বুদ্ধদেব সাউ

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের (JU Main Hostel) তিন তলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার। এই ঘটনা গোটা রাজ্য তোলপাড় সৃষ্টি করে। অভিযোগ ওঠে, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য না থাকায় দায়সারা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এরপরই পরিস্থিতি সামলাতে হঠাৎ বুদ্ধদেব সাউকে অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। এই নিয়োগ নিয়েও নানারকম আলোচনা চলে।







