যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন বলতেই প্রথমে পড়ুয়াদের সমবেত মিছিলের কথাই মাথায় আসে। সেখানে যে অধ্যাপকরা মিছিলে অংশ নেন না তা নয় একেবারেই। তবে দ্বায়িত্বে থাকা উপাচার্যকে রাতভর ধর্নাতে শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা নিয়ে কিন্তু সন্দেহ রয়েছে। আর এবার প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বুধবার রাতভর ধর্নায় বসলেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ, সহ-উপাচার্য অমিতাভ ভট্টাচার্য, ডিন সুবিনয় ভট্টাচার্য এবং রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু।
ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা পেরিয়েছে এক মাসের বেশি। অবশেষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। আপাতত স্থির হয়েছে ক্যাম্পাস ও হস্টেল মিলিয়ে মোট ১০ জায়গায় ২৬টি ক্যামেরা বসবে। পাশাপাশি, সল্টলেক ক্যাম্পাসেও ৩ টি ক্যামেরা বসবে। অর্থাৎ, মোট ২৯টি।
তাঁর ভিজিটর যেন এই নিয়ম মেনেই প্রবেশ করেন, তা সুনিশ্চিত করতে হবে সংশ্লিষ্ট আবাসিককে। বুধবার সেই কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফ স্টুডেন্টস। ২০২৩-’২৪ শিক্ষাবর্ষের অ্যান্টি র্যাগিং স্কোয়াডের সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮। সেই সংখ্যা বেড়ে একেবারে ৫৫ হয়েছে।
প্রায় এক মাস পেরিয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনা। এবার ৩ পড়ুয়াকে ঘটনা ধাপাচাপা দেওয়া ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শাস্তির সুপারিশ করল তদন্ত কমিটি। এই ছাত্র হলেন অরিত্র মজুমদার, গৌরব দাস ও সৈকত সিট।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র্যাগিংয়ের অভিযোগ তোলপাড় ফেলেছে গোটা বাংলায়। অন্তর্বর্তীকালীন রাজ্যপাল নিয়োগ করা হয়েছে। অবশেষে বৃহস্পতিবার গঠন করা হল নতুন অ্যান্টি র্যাগিং কমিটি। এই কমিটিতে চেয়ারম্যান থাকছেন নতুন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ।
দিন কয়েক আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হস্টেল পরিদর্শন করতে আসে ইসরোর প্রতিনিধি দল। আর এবার নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিল ইসরো। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে সেই বার্তাও দিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এমনটাই খবর সূত্রের।