নজরবন্দি ব্যুরোঃ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন বলতেই প্রথমে পড়ুয়াদের সমবেত মিছিলের কথাই মাথায় আসে। সেখানে যে অধ্যাপকরা মিছিলে অংশ নেন না তা নয় একেবারেই। তবে দ্বায়িত্বে থাকা উপাচার্যকে রাতভর ধর্নাতে শেষ কবে দেখা গিয়েছে তা নিয়ে কিন্তু সন্দেহ রয়েছে। আর এবার প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বুধবার রাতভর ধর্নায় বসলেন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ, সহ-উপাচার্য অমিতাভ ভট্টাচার্য, ডিন সুবিনয় ভট্টাচার্য এবং রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু।
আরও পড়ুনঃ উত্তরাখণ্ড সফরে মোদী, পুজো দিলেন পিথোরাগড়ের পার্বতী কুণ্ডে


র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মৃত্যু হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়ার। নদীয়ার বগুলা গ্রাম থেকে বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও সাহিত্যকে ভালোবেসে নিজের স্বপ্নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে এসেছিল সে। আর এই ছাত্রমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বর্তমান ছাত্র তো আবার কেউ প্রাক্তনী। ঘটনার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশকে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিনিয়র ছাত্ররা। ডাকা হয় চার বার জিবি মিটিং। আর এই সব তথ্যই উঠে এসেছে ধৃতদের জেরা করে।

তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ, সহ-উপাচার্য অমিতাভ ভট্টাচার্য, ডিন সুবিনয় ভট্টাচার্য এবং রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু দাবি করেছেন, অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের শাস্তি হচ্ছে না। বুধবার কর্মসমিতির কর্মসমিতির বৈঠক চলাকালীনই সে কারণে ধর্নায় বসার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।



যাদবপুরে উলট পুরাণ! অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাতভর ধর্নায় খোদ উপাচার্য
উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ বলেন, “আমরা পড়ুয়াদের জোর করতে চাই না। তাই শান্তভাবেই অবস্থানে বসেছি। আশা করি পড়ুয়ারা শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন।” পাশাপাশি, রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেন, “কালকে রাত তিনটে থেকে বসে রয়েছি। আজ সকাল হয়ে গিয়েছে। আমাদের কাছে মূলত হস্টেলের ছাত্ররাই এসেছিল। তাঁদের বক্তব্য আমাদের সব কমিটিতে তাঁদের প্রতিনিধি রাখবে। সব কটাতে পড়ুয়াদের প্রতিনিধি রাখা সম্ভব নয়।”








