নজরবন্দি ব্যুরো: গত আগস্ট মাসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা রাজ্য। র্যাগিংয়ের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রাক্তনী ও পড়ুয়াকে। ঘটনার সাড়ে তিন মাসের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা করল পুলিশ। ৬ পড়ুয়া ও ৬ প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ এবং ৩০৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পুজোয় জনজোয়ার মেট্রোয়, ছ’দিনে প্রায় ৬ কোটি টাকা আয়


জানা গিয়েছে, যাদবপুরকাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ পড়ুয়া ও ৬ প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ এবং ৩০৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে চার্জশিটে। পাশাপাশি ব়্যাগিং এবং পকসো ধারাতেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে পুলিশ। যাদবপুরের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর পর পরিবারের তরফে র্যাগিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে প্রথমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ পক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেছিলেন, ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ করে মারা হয়েছে প্রথম বর্ষের ছাত্রকে। সম্পূর্ণ ঘটনার ‘কিং পিন’ সৌরভ।

এরপর যাদবপুরের পড়ুয়া ও প্রাক্তনী মিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্তর্বর্তী তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত চালিয়ে ছাত্রমৃত্যুতে র্যাগিংয়ের প্রমাণ পায়। ঘটনার একমাস পর গঠন করা হয় অ্যান্টি র্যাগিং কমিটি। যাদবপুরকাণ্ডের পর রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বুদ্ধদেব সাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করেন। তিনিই এই অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির চেয়ারম্যান।



যাদবপুরের প্রথম বর্ষের নিহত পড়ুয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে নবান্নে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোষীদের শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি সদ্য সন্তানহারা মাকে বাড়ির কাছেই চাকরি ও নিহতের ছোট ভাইয়ের পড়াশোনার খরচ রাজ্য সরকার নেবে বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
যাদবপুরকাণ্ডের ৩ মাস পর আদালতে জমা পড়ল চার্জশিট, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব়্যাগিং এবং পকসো ধারায় অভিযোগ








