গতকালের দলীয় বৈঠকে উদ্ধব ঠাকরে পরিষ্কার করে দিয়েছেন চাইলে বিক্ষুব্ধরা চলে যান। তিনি নিজে নতুন করে শিবসেনা গঠন করবেন। ঠিক তার পরেই বৈঠকে বসল একনাথ শিন্ডে বাহিনী। বড় চাল শিন্ডের। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে স্থির হয়েছে, নিজেদের দলের নাম ‘শিবসেনা বালা সাহেব’ রাখতে চলেছেন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা।
শুক্রবারেও গুয়াহাটিতে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে শিবসেনার ‘বিক্ষুব্ধ’ শিবিরের সংখ্যা। গতকাল আস্থা ভোটের কথা উল্লেখ করে বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দেওয়া শরদ পাওয়ার এখন সরকার রক্ষা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন। বিক্ষুব্ধদের সংখ্যা বাড়তেই ‘মাতোশ্রী’ পৌঁছলেন পাওয়ার। সঙ্গে রয়েছেন অজিত পাওয়ার, জয়ন্ত পাটিল এবং প্রফুল্ল প্যাটেল।
ক্রশ ভোটিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বেপাত্তা মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ ২২ জন বিধায়ক। পরে সুরাতের একটি হোটেলে তাঁদের খোঁজ মেলে। এরপর বিক্ষুব্ধদের নিয়ে গুয়াহাটির ব্লু র্যাডিসন হোটেলে আস্তানা নিয়ে বিধায়করা। গুয়াহাটির হোটেলে শিবসেনার বিক্ষুব্ধরা। এমনকি তাঁদের সমস্ত দেখভালের বিষয়টি নিজে এসে দেখে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
সোমবার থেকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে টলমল অবস্থা। একে বহু শিবসেনার বিধায়করা অসমে জমায়েত হতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন মহারষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। কার্যত শিন্ডের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, একজন বিধায়ক চাইলে আমি ইস্তফা দিতে রাজি।
সকাল বেলায় ৪০ এর অধিক বিধায়ক নিয়ে গুয়াহাটিতে উপস্থিত হয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। তাই সরকার সামলাতে গিয়ে ঘাম ছুটছে শিবসেনার নেতাদের। এরই মধ্যে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের ট্যুইট ঘিরে জল্পনা। তিনি বলেন, গুয়াহাটি থেকে উদ্ধভ সরকার ভাঙার পরিকল্পনা শিন্ডের।
চিঠিতে স্পষ্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন, বিজেপি ইডি, সিবিআইকে ব্যবহার করে বিরোধী শক্তিকে কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের একজোট হওয়ার সময় এসে গেছে। কিন্তু মমতার ডাকা বৈঠকে থাকছেন না উদ্ধভ যা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।