উদ্ধবের ইস্তফার পরেই সরকার গঠনের তৎপরতা শিন্ডে শিবিরে। তাঁদের দাবি, সরকার গঠনের জন্য ১৭০ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বিধায়কদের কাছে। সূত্রের খবর, আজই গোয়ায় বিক্ষুব্ধ শিবিরের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকের পরেই রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিরোধীদের দাবি, তাঁর সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে। তাঁর নিজের দলেরই একটা বড় অংশ সঙ্গে নেই। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কিছুক্ষণ পরেই...
গতকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনাবলী আলাদা মোড় নিতে শুরু করেছে। রাজ্যপালের নির্দেশে আগামীকাল আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে উদ্ধব সকারকে। রাজ্যপালের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁদের বক্তব্য, অনৈতিকভাবে আস্থা ভোট করাতে চান রাজ্যপাল।
একনাথ শিবিরের তরফে দাবি করা হচ্ছে ৩৮ জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছে, তাই মহারাষ্ট্রের বর্তমান সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সরকার বদলের হুঁশিয়ারি শিন্ডের, এর পরেই পদক্ষেপ নিলেন উদ্ধব ঠাকরে। মন্ত্রীসভায় বদল ঘটিয়ে বিক্ষুব্ধদের কাছ থেকে মন্ত্রক কেড়ে নিলেন তিনি।
মহারাষ্ট্রে দুই শিবিরের লড়াইয়ে আড়াআড়ি ভাবে বিভক্ত শিবসেনা। ১৬ বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে সরব হচ্ছে উদ্ধব ঠাকরে শিবির। অন্যদিকে, বিধায়কদের সদস্য পদ টিকিয়ে রাখ্যতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল একনাথ শিন্ডে শিবির। একইসঙ্গে অজয় চৌধুরীকে পরিষদীয় দলনেতা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও সুপ্রিম কোর্টের মামলা করলেন শিন্ডে। সূত্রের খবর, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই মামলার শুনানি।
গতকাল থেকেই বারবার নিরাপত্তার দাবি তুলছিলেন শিবসেনার বিক্ষুব্ধ শিবিরের নেতারা। আজ সেই বিধায়কদের পরিবারগুলিকে দ্রুত নিরাপত্তার দাবি মহারাষ্ট্র পুলিশের ডিজিপিকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারি। তাঁর বক্তব্য, শিন্ডে শিবিরের বিধায়কদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্র নিয়ে যে নাটকীয় পর্ব শুরু হয়েছে তা কোনও অংশের বলিউড ছবির থেকে কম কিছু নয়।
সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে স্থির হয়েছে, নিজেদের দলের নাম ‘শিবসেনা বালা সাহেব’ রাখতে চলেছেন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। শোনা যাচ্ছে, ৩৭ জন শিনসেনার বিধায়ক এবং নির্দল বিধায়কদের নিয়ে এই নাম ঘোষণা করবেন একনাথ শিন্ডে। কিন্তু সেইপথে এবার কাঁটা হয়ে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব। বালাসাহেব নামে আপত্তি উদ্ধবের।