নজরবন্দি ব্যুরোঃ মহারাষ্ট্রে দুই শিবিরের লড়াইয়ে আড়াআড়ি ভাবে বিভক্ত শিবসেনা। ১৬ বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে সরব হচ্ছে উদ্ধব ঠাকরে শিবির। অন্যদিকে, বিধায়কদের সদস্য পদ টিকিয়ে রাখ্যতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল একনাথ শিন্ডে শিবির। একইসঙ্গে অজয় চৌধুরীকে পরিষদীয় দলনেতা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও সুপ্রিম কোর্টের মামলা করলেন শিন্ডে। সূত্রের খবর, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই মামলার শুনানি।
আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন পর্বের আগে টিআরএসের সমর্থন, চ্যালেঞ্জ হাল্কা হচ্ছে যশবন্ত সিনহার


আদালত সূত্রে খবর, সুপ্রিম কোর্টের তরফে একনাথ শিন্ডের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। দুটি মামলার শুনানি হবে বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি পারদিওয়ালের বেঞ্চে। সাড়ে ১২ টা থেকে মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
একনাথ শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকারের তরফে ২১ তারিখ তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের বিষয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এটা বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। তাঁদের বক্তব্য, বিধানসভার অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকলে বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করা যায়। কিন্তু দলীয় বৈঠক এড়িয়ে গেলে সদস্যপদ খারিজ করা যায় না। একইসঙ্গে নিয়ম না মেনে অজয় চৌধুরীকে পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে নিযুক্ত করার অভিযোগ তুলেছে শিন্ডে শিবির।

অন্যদিকে, গুয়াহাটিতে থেকে বিরোধী দল বিজেপির সঙ্গে বৈঠক করে দলীয় নিয়ম ভঙ্গ করেছে শিন্ডে শিবির। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বম্বে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে উদ্ধব শিবির। তাঁদের বক্তব্য ১৬ জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ করা হোক। পুনরায় নির্বাচন হোক।


সুপ্রিম কোর্টের মামলা করলেন শিন্ডে, কিছুক্ষণের মধ্যেই শুনানি

তবে উদ্ধব শিবিরকে আক্রমণ করতে পিছপা হচ্ছে না একনাথ শিন্ডে। তাঁর কথায়, মুম্বই বোমা বিস্ফোরণ এবং দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে যে দলের যোগ রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে সরকার গঠন করতে নারাজ। একইসঙ্গে আরও এক বিধায়ক সুভাষ সাবনে একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাগ্গান ভুজবল যিনি বালাসাহেব ঠাকরেকে গ্রেফতার করিয়েছিলেন, আজ সে কেবিনেট মন্ত্রী।







