গত বছর নিজেরই দলের অন্দরে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী পদ হারাতে হয়েছে উদ্ধভ ঠাকরে। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শিবসেনা নাম এবং প্রতীকের ওপরেও অধিকার হারালেন তিনি। সেই অধিকার এখন গেছে একনাথ শিন্ডের হাতে। এই মুহুর্তে পুরাতন এবং ঘনিষ্ঠদের ওপরেই ভরসা করলেন উদ্ধভ। এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন উদ্ধভ ঠাকরে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে গতকাল জানিয়ে দেওয়া হয়েছ, শিবসেনার আসল প্রতীক ও নাম ব্যবহার করতে পারবে না কোনপক্ষই। তাই শিন্ডে এবং উদ্ধভ দুই শিবিরের মূল প্রতীক কী হবে? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। কমিশনের নির্দেশের পরেই প্রতীক ও নাম বাছাইইয়ের কাজ শুরু করেছে দুই পক্ষ।
উদ্ধবের ইস্তফার পরেই সরকার গঠনের তৎপরতা শিন্ডে শিবিরে। তাঁদের দাবি, সরকার গঠনের জন্য ১৭০ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বিধায়কদের কাছে। সূত্রের খবর, আজই গোয়ায় বিক্ষুব্ধ শিবিরের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকের পরেই রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।
গতকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনাবলী আলাদা মোড় নিতে শুরু করেছে। রাজ্যপালের নির্দেশে আগামীকাল আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে উদ্ধব সকারকে। রাজ্যপালের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁদের বক্তব্য, অনৈতিকভাবে আস্থা ভোট করাতে চান রাজ্যপাল।