নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনাবলী আলাদা মোড় নিতে শুরু করেছে। রাজ্যপালের নির্দেশে আগামীকাল আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে উদ্ধব সকারকে। রাজ্যপালের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। তাঁদের বক্তব্য, অনৈতিকভাবে আস্থা ভোট করাতে চান রাজ্যপাল।
কারণ হিসাবে উদ্ধব শিবিরের তরফে বলা হচ্ছে, ১৬ জন বিধায়কদের বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের বিষয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের তরফে এখনও কোনও উত্তর মেলেনি। এরই মধ্যেই আস্থা ভোটের কথা রাজ্যপাল কীভাবে বলতে পারেন? আজ বিকেল ৫ টা নাগাদ মামলার শুনানি।
শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ১৬ বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে ১১ জুলাই অবধি সময় দিয়েছে আদালত। এরই মধ্যে আস্থা ভোট কীভাবে হতে পারে? সুপ্রিম কোর্টের রায়দানের আগে যদি আস্থা ভোট করানো হয় তাহলে তা আদালত অবমাননা বলেই গণ্য হবে।

সূত্রের খবর, আজই গুয়াহাটি থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন একনাথ শিন্ডে সহ শিবসেনার বিক্ষুব্ধ শিবিরের ৩৯ জন বিধায়ক। সকালেই কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিয়ে রওনা দিয়েছেন তাঁরা। শোনা যাচ্ছে, আজ গোয়াতে থেকে আগামীকাল আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, সরকার বাঁচানোর জন্য৭অ আগে থেকেই ১৬ জন বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করতে চেয়েছিল উদ্ধব শিবির। কিন্তু আদালতের নির্দেশে খানিকটা অক্সিজেন পেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু গতকাল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে বৈঠকের পর আস্থা ভোটের জন্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের আহ্বান জানান রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারি।
তিনি একটি চিঠিতে জানিয়েছেন, বিরোধী দলনেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে দেখা করেন। আমাকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করান। তারপর তিনি চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। ভিদিওগ্রাফির মাধ্যমে আস্থা ভোট হবে বলে জানা গেছে।
অনৈতিকভাবে আস্থা ভোট করাতে চান রাজ্যপাল, আজই সুপ্রিম কোর্টে শুনানি।

শিন্ডের তরফে আগে থেকেই দাবি করা হচ্ছিল তাঁর কাছে শিবসেনার ৪০ জন বিধায়ক সহ ৫০ জনের সমর্থন রয়েছে। বিজেপির সঙ্গে জোট করলে সরকার গঠনের জন্য ১৪৪ সংখ্যা পার করেছে।



