মুম্বইতে পা রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই দেখা করেন রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ অম্বানির সঙ্গে। সেখানে তৃণমূল নেত্রীকে গলায় উত্তরীয় পরিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান শিল্পপতি। আজ আজ মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়েতে দেশের একাধিক হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। উপস্থিত থাকবেন খেলা ও বিনোদন জগতের তারকারাও। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে, সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকে বাড়ি গিয়ে নিমন্ত্রণ করে এলেও তাঁরা এই বিয়েতে উপস্থিত থাকছেন না।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পরই সন্ধেয় মুকেশ পুত্র অনন্ত আম্বানি ও রাধিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্যেই বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে সেজে উঠেছে মুম্বই শহর। অতিথিদের তালিকা রয়েছে বেশ দীর্ঘ। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত হবেন এই বিয়ের আসরে।
দেশের হয়ে কাজ করতে গিয়ে ও ধরা পড়েছে। সুষমা স্বরাজ যখন ছিলেন তখন আশা ছিল কুলভূষণ ফিরবেন তবে এখন ওকে নিয়ে কোনও কথা হয় না। আমরা জানি না উনি বেঁচে আছেন কি না। সেসব না করে আমরা ক্রিকেট খেলছি পাকিস্তানের সঙ্গে”।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধব সেনা শিবিরে অক্সিজেন জুগিয়েছে। শিবসেনা শিবিরে ভাঙন, বিধায়কদের দলত্যাগ, আস্থা ভোট সহ একাধিক বিষয়ে কথা বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে নিজেদের নৈতিক জয় বলেই দাবি করেছে উদ্ধব শিবির। এদিনই জোট নিয়ে আলোচনা করতে উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার।
গত বছর নিজেরই দলের অন্দরে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী পদ হারাতে হয়েছে উদ্ধভ ঠাকরে। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শিবসেনা নাম এবং প্রতীকের ওপরেও অধিকার হারালেন তিনি। সেই অধিকার এখন গেছে একনাথ শিন্ডের হাতে। এই মুহুর্তে পুরাতন এবং ঘনিষ্ঠদের ওপরেই ভরসা করলেন উদ্ধভ। এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন উদ্ধভ ঠাকরে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে গতকাল জানিয়ে দেওয়া হয়েছ, শিবসেনার আসল প্রতীক ও নাম ব্যবহার করতে পারবে না কোনপক্ষই। তাই শিন্ডে এবং উদ্ধভ দুই শিবিরের মূল প্রতীক কী হবে? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। কমিশনের নির্দেশের পরেই প্রতীক ও নাম বাছাইইয়ের কাজ শুরু করেছে দুই পক্ষ।