নজরবন্দি ব্যুরো: ২০২২-এ মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তোলপাড় দেখা যায়। এক সরকার ভেঙে তৈরি হয় জোট সরকার। পদত্যাগ করেন উদ্ধব সরকার। বিজেপির সঙ্গে জোট বেধেই শিবসেনা (একনাথ শিণ্ডে শিবির) সরকার গঠন করে। এরপর থেকেই ফের ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে মরিয়া ঠাকরে শিবির। কয়েকদিনের মধ্যেই দলের প্রতীকী চিহ্ন ব্যবহারের অধিকার হারায় ঠাকরে শিবির। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। এদিন শুনানিতে বড় পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতে। এরপরই সুর চড়ালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: Narendra Modi-কে বিশেষ আমন্ত্রণ বাইডেনের, আগামী মাসেই মার্কিন সফরে প্রধানমন্ত্রী


বৃহস্পতিবার উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে পাশে নিয়েই বিজেপি এবং শিণ্ডে শিবিরকে আক্রমণ শানিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রকে হত্যা করে একনাথ শিণ্ডে জিতেছেন। আমি যেমন করেছি তেমনই একনাথ শিণ্ডের উচিত মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া।” উদ্ধব শিবিরের সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেছেন, “সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে শিব সেনার শিণ্ডে গ্রুপের হুইপ ছিল অবৈধ। সংবিধানের অবমাননা করে অবৈধভাবে বর্তমান সরকার তৈরি হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধব সেনা শিবিরে অক্সিজেন জুগিয়েছে। শিবসেনা শিবিরে ভাঙন, বিধায়কদের দলত্যাগ, আস্থা ভোট সহ একাধিক বিষয়ে কথা বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে নিজেদের নৈতিক জয় বলেই দাবি করেছে উদ্ধব শিবির। এদিনই জোট নিয়ে আলোচনা করতে উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমার।



উল্লেখ্য, গত বছর জুন মাসে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা শিবিরে ভাঙন দেখা যায়। পতন হয় উদ্ধব সেনা সরকারের। একাধিক বিধায়ক পদত্যাগ করেন। বিজেপির সমর্থন নিয়েই তৈরি হয় নতুন সরকার। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল বিএস কোশিয়ারি আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের কথা জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন উদ্ধব ঠাকরে। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন একনাথ শিণ্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী হন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।
সুপ্রিম পর্যবেক্ষণে সুর চড়ল ঠাকরের, শিণ্ডে শিবিরকে আক্রমণ








