অযোগ্য প্রার্থীদের বেতন ফেরত দিতে হবে, উদ্ধার হওয়া ওএমআর শিটগুলি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং সিবিআই-কে তদন্তে সহায়তা করতে হবে। প্রয়োজনে ওই প্রার্থীদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারবে সিবিআই।
কিন্তু এই মামলা পৌঁছে যায় শীর্ষ আদালতে। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুসারে আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যেই ১৪,০৫২ জন প্রার্থীর নিয়োগে চাকরি সুনিশ্চিত করতে হবে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, শূন্যপদের সংখ্যা ১৪,৩৩৯।
রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলবন্দী। দুর্নীতির আধারে দুবেছে শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য। এবার তাই দ্রুত কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে চায় স্কুল সার্ভিস কমিশন। বৃহস্পতিবার তাই কোর্টের নিরদেশেই অবশেষে প্যানেল প্রকাশ করল এসএসসি।
গত ২৮ অগস্ট হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়। সেখানেই মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বলা হয় চার সপ্তাহের মধ্যে মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে। নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে রাজ্য সরকার।
মঙ্গলবারই উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কেই বহাল রাখার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট এবং বুধবারের মধ্যে মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।