নজরবন্দি ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) জন্মদিনকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে একাধিক কর্মসূচি। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে এই কর্মসূচি চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর আওতায় ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ এবং ‘প্রাঙ্গণে উৎসব’—এই দুই উদ্যোগে জনসংযোগের পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন। ওই দিন থেকেই শুরু হবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। এই কর্মসূচির অন্যতম অংশ ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’। সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের বাড়িতে গিয়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হবে। এই উদ্যোগকে জনসেবা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর সংকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচির মাধ্যমে বুথ স্তরে মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে। পাশাপাশি যাঁরা এখনও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁদের প্রয়োজনীয় নথিভুক্তির ব্যবস্থা করার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এর পাশাপাশি রয়েছে ‘প্রাঙ্গণে উৎসব’। সমাজের প্রান্তিক স্তরে স্বাস্থ্য ও সমাজসেবার কাজে যুক্ত মহিলাদের সম্মান জানানো হবে এই কর্মসূচিতে। বিশেষভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশা কর্মীদের সম্মানিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচিকে শুধু সরকারি প্রকল্পের প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা হবে। পড়ুয়াদের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনসেবামূলক কাজ এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর ভাবনা তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় পথনাটিকা, পদযাত্রা, বাইক র্যালি, স্বাস্থ্যপরীক্ষা এবং রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে বিভিন্ন ব্লকে ‘সেবা সেতু’ শিবির করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
‘প্রাঙ্গণে উৎসব’-এর জন্য উপযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ও স্থান চিহ্নিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে উপভোক্তা মা ও শিশুদের একত্রিত করার ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।
সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের প্রচার, সুবিধাভোগীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের সম্মান জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।



