শাহজাহানকে দু'বার তলব করেছিল ইডি। দুবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। সূত্রে খবর, তৃতীয়বার হাজিরা এড়ালে শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে তদন্তকারী আধিকারিকরা।
অবশেষে গ্রেফতার উত্তম সর্দার। শনিবার দুপুরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এদিন রাতে গ্রেফতার করা হল তাঁকে। আগামীকাল ধৃতকে আদালতে পেশ করা হবে বলে খবর।
ইতিমধ্যেই, অভিযুক্ত সন্দেশখালির জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম সর্দারকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। দলগত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।
বিগত তিন দিন ধরে ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি। লাঠি বাঁশ নিয়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন দ্বীপাঞ্চলের সাধারণ মহিলারা। গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ তিন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। দাবি একটাই, শাহজাহান শেখ, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার গ্রেফতারি।
সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি পাঠান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি সন্দেশখালির ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
প্রথমবার সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খুলল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বললেন, “কিছু মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। কোনও মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু এই দু’দিন ধরে যথেষ্ট সংযত ছিল তৃণমূল এবং পুলিশ। সিপিআইএম, বিজেপি এবং কংগ্রেস কিছু মানুষকে উস্কে দিয়ে সেখানে গন্ডগোলের চেষ্টা করছে। এই সমস্যা মিটেও যাবে কয়েকদিনের মধ্যে।”
শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল (TMC) নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা। হাতে লাঠি-বাঁশ নিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছেন মহিলারা। আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে শিবপ্রসাদ হাজরার তিনটি পোলট্রি ফার্মে। তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন গ্রামবাসীরা।