সন্দেশখালি গিয়ে গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শুনলেন সমস্ত অভিযোগ। কথা দিলেন, তাঁর ক্ষমতার এত্তিয়ারের মধ্যে থেকে যতটা করা সম্ভব তা তিনি করবেন। এদিন রাজ্যপালের কাছে করজোড়ে সাহায্য পার্থনা করেন দ্বীপাঞ্চলের মহিলারা।
উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করা হলেও শেহজাহান ও শিবু এখনও নিখোঁজ। সন্দেশখালিকাণ্ডে জল অনেকদূর গড়িয়েছে। এর প্রতিবাদে সারা রাজ্যে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি (BJP)।
তাঁদের জামায় লেখা ছিল, 'সন্দেশখালির পাশে আছি'। এই পাঞ্জাবি গায়ে বিধানসভায় প্রবেশের সময় তাঁদের বারণ করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরা সে কথা শোনেন না। এরপর অধিবেশনের শুরু থেকেই বিজেপি বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন, হুইসল বাজান। তীব্র অরাজকতা সৃষ্টি হওয়ার ৬ জন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করলেন স্পিকার।
"লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের হাজার টাকায় মহিলাদের ইজ্জত লুঠ করা হয়। এটা যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে হলে শেখ শাহজাহান বা শিবু হাজরার পরিবারকে শশ্মানে অপেক্ষা করতে হত", সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে শাহজাহান শেখের (Seikh Shahjahan) অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় ইডি আধিকারিকদের। শিরোনামে আসে সন্দেশখালি। তখনও কে জানত কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কত কেউটে বেরোবে! এই মুহূর্তে উত্তাল সন্দেশখালি। শাহজাহান সহ দুই তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন গ্রামের মহিলারা।
সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে আবার পুলিশের বাধার সুম্মুখীন হলেন বাম (CPIM) নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তাঁর। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সন্দেশখালিতে প্রবেশ করা যাবে না বলে জানায় পুলিশ।
গতকালই এক বিজেপি নেতাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার এই ঘটনায় নাম জড়াল সিপিএমের। নিখোঁজ শিবু হাজরার অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার গ্রেফতার করা হল প্রাক্তন বাম বিধায়ক নিরাপদ সরকারকে।