বিগত চারদিন ধরে শিরোনামে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তিন তৃণমূলনেতা, শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন দ্বীপাঞ্চলের মহিলারা। এরই মধ্যে আবার বেপাত্তা শিবু হাজরার অভিযোগের ভিত্তিতে সিপিআইএমের (CPIM) প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারকে গ্রেফতার করেছে বাঁশদ্রোণী থানার পুলিশ। অন্যায়ভাবে নিরাপদ সর্দারের গ্রেফতারিতে রবিবার ও সোমবার রাজ্যের সমস্ত থানা ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিলেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Md Selim)।
আরও পড়ুন: লক্ষ্য মতুয়া ভোট, রাজ্যসভায় মমতাবালাকে প্রার্থী করে চমক তৃণমূলের, তালিকায় আর কারা?


রবিবার নিরাপদ সর্দারকে গ্রেফতার করে বাঁশদ্রোণী থানায় আনে পুলিশ। থানায় বাইরে জমায়েত করে প্রতিবাদ জানান বাম (CPIM) কর্মী সমর্থকেরা। থানায় আসেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ও সৃজন ভট্টাচার্য। কথা বলেন নিরাপদর সঙ্গে। এরপর সেখানে আসেন মহম্মদ সেলিম (Md Selim)। তিনি সাফ বলেন, “রাজ্যজুড়ে অপশাসন চালাচ্ছে তৃণমূল। যে শিবু হাজরা নিজেই অপরাধী। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের সঙ্গে অসভ্যতা করছে। সে নিজে পলাতক। অথচ তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের নেতাকে গ্রেফতার করা হল। নিরাপদকে মুক্ত না করলে আমরা রাজ্যের সমস্ত থানার বাইরে বিক্ষোভ জানাব।”

অন্যদিকে, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একটা রাজত্ব চালাচ্ছে তৃণমূল। তার বিরুদ্ধেই নিরাপদ প্রতিবাদ করেছিল। সে মহিলাদের সংঘবদ্ধ করে অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলছিল তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হল। আমাদের স্ট্র্যাটেজি তৈরি আছে। নিরাপদকে আদালতে তুললে তখন তা প্রয়োগ করব।”



অন্যায়ভাবে গ্রেফতার বামেদের প্রাক্তন বিধায়ক? থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি সেলিমের
সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে আবার পুলিশের বাধার সুম্মুখীন হলেন বাম (CPIM) নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তাঁর। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সন্দেশখালিতে প্রবেশ করা যাবে না বলে জানায় পুলিশ। মীনাক্ষীর অভিযোগ, গ্রামের মানুষদের ভয় দেখিয়ে আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে চাইছে শাসক দল। পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে নিশানা করে পুলিশকে ‘দলদাস’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।








