শেষ দফায় ভোট ছিল সন্দেশখালিতে। আগে থেকেই অশান্তির আঁচ পেয়ে এই কেন্দ্রে ব্যাপক পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। কিন্তু সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়।
সাদা কাগজে মহিলাদের দিয়ে সই করিয়ে ধর্ষণ-শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করার নেপথ্যে সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী মাম্পি ওরফে পিয়ালি দাসের ভূমিকা ছিল, এই অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার প্রচারের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ খুললেন সন্দেশখালি প্রসঙ্গে। মমতার মতে, এই মুহূর্তে দ্বীপাঞ্চলে যারা বিজেপি করেন তাঁরা আগে সিপিএম করতেন। ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?
এই আন্দোলনকে থামানোর ক্ষমতা নেই কারও”। যদিও নজরবন্দি ওই ভিডিও টির সত্যতা যাচাই করেনি। শনিবার সকালে ভাইরাল হওয়া গঙ্গাধরের ওই ভিডিয়ো ঘিরে সকাল থেকেই উত্তাল বাংলার রাজ্য রাজনীতি।
সন্দেশখালিকে কেন্দ্র করে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। তৃণমূল সূত্রে খবর, হাজি নুরুল ইসলামের অসুস্থতা বাড়লে প্রার্থী বদল করা হতে পারে। তবে তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, মাঝখানে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ঠিকই। তবে এখন সুস্থ আছেন।
সন্দেশখালির সমস্ত মামলার তদন্তভার সিবিআই-কে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আর এবার গ্রামবাসীদের যাতে অভিযোগ জানাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেক্ষেত্রে তাঁদের সাহায্য করবে বিজেপি, এমনটাই আশ্বাস দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের বিদায়ী সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'সন্দেশখালির ঘটনায় সবাই গ্রেফতার হয়েছে। আমাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আরাবুল শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে এসে দুর্নীতি নিয়ে বড় বড় কথা বলেন। বাংলায় আমরা দুর্নীতি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই। গুজরাটে কী হয়? রিপোর্ট প্রকাশ করুক বিজেপি সরকার।'