সাদা কাগজে মহিলাদের দিয়ে সই করিয়ে ধর্ষণ-শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করার নেপথ্যে সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী মাম্পি ওরফে পিয়ালি দাসের ভূমিকা ছিল, এই অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবারই কলকাতা হাই কোর্ট মাম্পির জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। শনিবার দমদম জেল থেকে বেরিয়েই সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে হারানোর হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভুল করলে দু’টো থাপ্পড় মারবেন, আরামবাগকে ‘অধিকার’ দিলেন মমতা


বিগত কয়েকমাস ধরেই শিরোনামে সন্দেশখালি। এরই মধ্যে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ওঠে, সন্দেশখালির গোটা আন্দোলনটাই নাকি সাজানো! আর তা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে। ভাইরাল হপ্য দু’টি স্টিং ভিডিও। (যদিও সেই ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি)

সেই ভিডিও-তে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে আন্দোলন চালাবার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী চাইতে দেখা যায়। পাশাপাশি, মাম্পি দাসের বিরুদ্ধে সাদা কাগজে মহিলাদের দিয়ে সই করানোর অভিযোগও ওঠে।



কিন্তু, মাম্পি নিজে বসিরহাট থানায় আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে বলা হয়নি, জামিন অযোগ্য ধারার কথা। আর এ নিয়েই আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়তে হপ্য রাজ্য পুলিশলে। বিচারপতি অমৃতা সিনহা, শনিবার পর্যন্ত মাম্পিকে রক্ষাকবচ দেন।
হারিয়ে বদলা নেব, জেল থেকে বেরিয়েই চ্যালেঞ্জ সন্দেশখালির মাম্পির

শুক্রবারই মাম্পিকে জামিন দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এদিন ছাড়া পেয়ে মাম্পি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং আন্দোলনকে প্রশমিত করতেই এ কাজ করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, আসন্ন লোকসভায় বসিরহাট কেন্দ্রে তৃণমূলকে হারিয়ে তিনি তাঁর এই মানহানির বদলা নেবেন।







