গ্রেফতারির পরেও স্বমেজাজেই দেখা যায় শেখ শাহজাহানকে। পরনে ছিল সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা জুতো! আদালতে প্রবেশের মুখে আঙুল নেড়ে কিছু ইঙ্গিত করেন তিনি। যার অর্থ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। অথচ তাঁর নামে দায়ের হয়েছে ৪২টি কেস!
বসিরহাট মহকুমা আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এরপরই তাঁকে ভবানী ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। শাহজাহান মামলার (Sheikh Shahjahan Case) তদন্তভার নিল রাজ্য অধীনস্থ তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি (CID)।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সন্দেশখালি গিয়েছেন। শনিবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হল বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে (Meenakshi Mukherjee)।
এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার ফের সন্দেশখালিতে যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। গতকালও তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয়। মুক্তি পেয়েই সোজা রাজভবনে চলে যান। সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
দাবি একটাই, অবিলম্বে সন্দেশখালিকাণ্ডের 'মাস্টারমাইন্ড' শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে হবে। গ্রামের মহিলাদের নিয়ে সন্দেশখালি থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।