গত জানুয়ারি মাসে রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Scam) সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। এরপর কেটে গিয়েছে ৫০ দিন। এখনও নিখোঁজ শেখ শাহজাহান। সন্দেশখালির ‘বাদশা’ কবে পুলিশের জালে ধরা দেবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এরইমধ্যে তৃণমূল নেতার চাপ বাড়িয়ে একাধিক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শাহজাহানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির ভিত্তিতে ইএসআইআর দায়ের করে তল্লাশি অভিযান করছে ইডি (ED Raid)।



আরও পড়ুন: পশ্চিমী ঝঞ্ঝা-পূবালী হাওয়ার সংঘাতে একটানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতায় সামান্য পারদ পতন
শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতা (Kolkata) ও আশেপাশের একাধিক জায়গায় শুরু হয়েছে ইডির তল্লাশি। হাওড়া, বিজয়গড় সহ ৪ জায়গায় হানা দিয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। যাদের বাড়িতে তল্লাশি করা হচ্ছে তাঁরা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। মধ্য হাওড়ার বাসিন্দা পার্থ প্রতিম সেনগুপ্ত নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি পেশায় মাছের ভেড়ির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি দুটি বাড়িও কিনেছেন তিনি। যাদের বাড়িতে হানা দিয়েছে তাঁরা আমদানি-রফতানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

তদন্তকারী আধিকারিকদের অনুমান, এই ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই বিপুল পরিমাণ কালো টাকার লেনদেন করেছেন শেখ শাহজাহান। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, অকথ্য অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। সন্দেশখালির বাসিন্দারা বিশেষত মহিলারা গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছে। ইতিমিধ্যেই শাহজাহানের দুই অনুগামী শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু এখনও মূল অভিযুক্ত শাহজাহান নিখোঁজ।


অধরা শাহজাহান, তৃণমূল নেতার চাপ বাড়িয়ে ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হানা ইডির

সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা। সন্দেশখালিতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার আবেদন তাঁদের। মহিলাদের অত্যাচারের অভিযোগে বিক্ষোভ চলছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার বাধাপ্রাপ্ত হয়ে অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দু’বার সন্দেশখালি যান। বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভে বসলে তাঁকে আটক করা হয়। জামিন পেয়ে কলকাতায় ফিরে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হন সুকান্ত। শাহজাহানকে গ্রেফতারির দাবিতে সিভি আনন্দ বোসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।







