দেখা করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, "বসিরহাট জেলে অন্যায়ভাবে বন্দী করে রাখা আমাদের কার্যকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে বাধা দিলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলদাস পুলিশ। ধিক্কার জানাই।"
প্রসঙ্গত, এই আইপিএস অফিসার সিপিআইএম আমল থেকে বাংলা কর্মরত। সেদিন খলিস্তানি বলার পর তিনিও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, "আমি পাগড়ি পরেছি বলে আমি খলিস্তানি হয়ে গেলাম!" এই বিষয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, "সেদিন উচিৎ ছিল বিজেপি নেতারদের ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া। এটাই বিজেপির নোংরা সংস্কৃতি। পুলিশ যদিও সেদিন সংযম দেখিয়েছে। তাই কিছু করা হয়নি।"
এর আগে গত সোমবার সন্দেশখালি যেতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় সেখানে জারি ছিল ১৪৪ ধারা। এরপর কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে পাঁচটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়। শুভেন্দু অধিকারীকেও সন্দেশখালিতে প্রবেশে অনুমতি দেয় আদালত।
সোমবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহ্-এর ডিভিশন বেঞ্চ জানাল, সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন হলে তা রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ কলকাতা হাই কোর্টই সেই নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্ট সন্দেশখালিকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করতে চাইল না। এই নির্দেশের পর মামলাকারী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।
বিরোধীদের আক্রমণ করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, "দুর্নীতির জনক হল কংগ্রেস। কংগ্রেস আমলেই ভারত অর্থনীতিতে দ্বিতীয় স্থান থেকে পঞ্চমে নেমে গিয়েছে।" সঙ্গে তিনি যোগ করেন, আম আদমি পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতির কথাও।