সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Issue) তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। আর শুধু রাজ্যই কেন, সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court) দায়ের হয় একটি জনস্বার্থ মামলা। সেখানে মণিপুরের ঘটনার মতো তদন্তের দাবি জানান মামলাকারী। দাবি ছিল, সিবিআই বা সিট তদন্তের। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত সাফ জানাল, মণিপুরের সঙ্গে সন্দেশখালির তুলনা চলে না। একই সঙ্গে সিবিআই তদন্তের আর্জি কলকাতা হাই কোর্টে জানাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুন: আধারের বিকল্প কার্ড দেবে রাজ্য সরকার? চালু নয়া পোর্টাল, কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ মমতার
প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Issue) তদন্ত বাংলার বাইরে স্থানান্তর করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আর্জি জানান আলাখ অলোক শ্রীবাস্তব নামে এক আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য ছিল, সন্দেশখালি যে ধরনের ‘ভয়াবহ’ তথ্য উঠে আসছে সেখানে রাজ্য পুলিশের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের আশা করা উচিৎ নয়। তাই মণিপুরের মতো তিন জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির কমিটি গঠন করে সিট বা সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক।

সোমবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহ্-এর ডিভিশন বেঞ্চ জানাল, সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন হলে তা রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ কলকাতা হাই কোর্টই সেই নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Issue) হস্তক্ষেপ করতে চাইল না। এই নির্দেশের পর মামলাকারী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

মণিপুর আর সন্দেশখালি এক নয়! তাহলে CBI তদন্তের কী হবে? সব জানাল সুপ্রিম কোর্ট
সন্দেশখালির (Sandeshkhali Issue) ঘটনায় সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। তিন তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি হাতিয়ে নেওয়ার মতো অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন উত্তম ও শিবু। তবে, অধরাই রয়েছেন শাহজাহান।

মাঝে সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, সন্দেশখালিতে তাঁদের প্রবেশ রুখতেই রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করে সিপিআইএম। আদালতের নির্দেশে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Issue) পাঁচটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়।



