সন্দেশখালিকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত ভট্টাচার্য নিজে সন্দেশখালি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই ঘটনার এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার ফের সন্দেশখালিতে যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। গতকালও তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয়। মুক্তি পেয়েই সোজা রাজভবনে চলে যান। সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।



আরও পড়ুন: চোপড়া নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মমতার, প্রতিটি পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় ফিরে রাজভবনে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। গতকাল রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Anand Bose) সঙ্গে দেখা করেন। শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারির দাবির পাশাপাশি পুলিশের ভুমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছেন, ‘পুলিশ আজ আমার সঙ্গে যে ব্যবহার করল, আমাকে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যাওয়া, আমার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশ যা করেছে পুরো বিষয়টি রাজ্যপালের সামনে তুলে ধরেছি।’ সন্দেশখালিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার যেন সঠিক বিচার হয় তাও রাজ্যপালের নজরে আনা হয়েছে বলে জানান সুকান্ত মজুমদার।



শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতারির দাবিতে বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাতভর অবস্থান বিক্ষোভের হুঁশিয়ারিও দেন। তবে পুলিশ পাঁচ মিনিটের আল্টিমেটাম দিয়ে তাঁদের জোর করে তুলে দেয়। লাঠিচার্জ করা হয়, সুকান্ত মজুমদারকে আটক করে টেনে হিঁচড়ে ফেরিঘাটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে ধামাখালিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছিল বলে জানানো হয় পুলিশের তরফে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পার্সোনাল বন্ডে মুক্তি পান বিজেপি সাংসদ।
শাহজাহানকে গ্রেফতারের দাবি সুকান্তর, সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ বিজেপির

উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে গুরুতর আহত হন সুকান্ত মজুমদার। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে দেখতে দিল্লি সফর কাটছাঁট করে হাসপাতালে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।







