সন্দেশখালির ‘বাদশা’ শেখ শাহজাহান এখন ‘খাঁচাবন্দী’। বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। ধৃত শাহজাহানের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। বসিরহাট মহকুমা আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এরপরই তাঁকে ভবানী ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। শাহজাহান মামলার (Sheikh Shahjahan Case) তদন্তভার নিল রাজ্য অধীনস্থ তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি (CID)।



আরও পড়ুন: ৫৫ দিন পর পুলিশের জালে, মিলল ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত
বৃহস্পতিবার শাহজাহানকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। শাহজাহান মামলার তদন্ত ভার নিয়েছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই তাঁকে ভবানী ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাজ্য অধীনস্থ গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করবে। দশদিন পর তাঁকে ফের আদালতে পেশ করা হবে।

রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Case) গ্রেফতার ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সূত্র ধরে শেখ শাহজাহানের হদিশ পায় ইডি। গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তাঁর বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। কিন্তু বাড়িতে ছিলেন না শাহজাহান। সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আক্রান্ত হয় ইডি। সেই ঘটনার ৫৫ দিন পর বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিগত কয়েক সপ্তাহে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। স্থানীয় মহিলারা শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমে পড়েন।


১০ দিনের জেল হেফাজতের পরই গন্তব্য ভবানী ভবন, শাহজাহান মামলার তদন্তে CID

এদিন শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই সন্দেশখালিতে উল্লাস শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা খুশিতে মিষ্টি বিলি করে। তাঁদের কথায়, ‘আজ যখন শাহজাহান গ্রেপ্তার, সেই খুশিতেই বোমা ফাটাচ্ছে সবাই, মিষ্টি খাচ্ছে।’ পুলিশ সূত্রে খবর, ইডির উপর হামলার অভিযোগ স্বীকার করেছে ধৃত। শাহজাহানের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩০৭, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫৩, ৩৭৯, ৫০৬ সহ আরও একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।







