ব্যাটিং-বান্ধব এই মরশুমে যেখানে প্রায় প্রতিদিনই ২০০-র ওপর রান উঠছে, সেখানে একানা স্টেডিয়াম যেন আলাদা গল্প বলছে। সেই তুলনায় ধীর পিচে বোলারদের দাপটই বেশি—আর ঠিক এই কারণেই আজকের লড়াইয়ে নতুন আশার আলো দেখছে কেকেআর। ‘লাস্ট বয়’ তকমা ঘোচাতে এলএসজি-এর বিরুদ্ধে নামার আগে তাদের প্রধান ভরসা—দলের নতুন অস্ত্র পাথিরানা।
লখনউয়ের একানা স্টেডিয়াম-এর পরিসংখ্যানই কেকেআরকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। এবারের আইপিএলে এখানে এখনও পর্যন্ত কোনও দল ২০০-র কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি। বরং কম স্কোরেও ম্যাচ জেতার নজির রয়েছে। ফলে বোলিং শক্তির উপর ভর করেই ম্যাচের ফল ঘোরানো সম্ভব—এই বিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামতে চলেছে নাইটরা।


পয়েন্ট টেবিলে দুই দলই নিচের দিকে। এলএসজি ন’নম্বরে, আর কেকেআর একেবারে তলানিতে। তবে আজকের ম্যাচে জিততে পারলেই পাল্টে যেতে পারে সমীকরণ। দলের অলরাউন্ডার অনুকূল রায়ের কথাতেও সেই আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট—বোলাররা ধারাবাহিক পারফর্ম করছে, আর ব্যাটাররাও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে।
কেকেআরের জন্য বড় স্বস্তি—পাথিরানার ফিট হয়ে দলে ফেরা। চোটের কারণে বাইরে থাকা শ্রীলঙ্কান পেসার সম্প্রতি স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন এবং নেটে ভালো ছন্দেই রয়েছেন বলে খবর। সব ঠিক থাকলে আজই হতে পারে তাঁর বেগুনি জার্সিতে অভিষেক। তাঁর সঙ্গে কার্তিক ত্যাগী ও বরুণ চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক ফর্ম কেকেআরের বোলিংকে আরও শক্তিশালী করছে।
অন্যদিকে এলএসজি শিবিরে ছবিটা একেবারেই উল্টো। ধারাবাহিকতা নেই বোলিংয়ে, ব্যাটিংও ভরসা জোগাতে পারছে না। অধিনায়ক Rishabh Pant নিজেও ছন্দে নেই। মিচেল মার্শ, এডেন মার্করাম, নিকোলাস পুরানের মতো তারকারা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি এখনও পর্যন্ত।


এই পরিস্থিতিতে আজকের ম্যাচ এলএসজির জন্য যেমন ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ, তেমনই কেকেআরের জন্য মরশুম বাঁচানোর লড়াই। ব্যাটিং ব্যর্থ হলেও বোলিংয়ে ভর করে জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে কি নাইটরা—সেই উত্তর মিলবে লখনউয়ের সন্ধ্যায়।







