বিগত তিন দিন ধরে শিরোনামে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তিন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে ফুঁসছে উত্তেজিত গ্রামবাসী। এই নেতাদের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ রয়েছে সন্দেশখালির বাসিন্দাদের। তার মধ্যে অন্যতম হল, মহিলাদের উপর অত্যাচার। আর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নবান্নকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)।
আরও পড়ুন: সন্দেশখালি ফুঁসছে যার বিরুদ্ধে, সেই উত্তম সর্দারকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল


গত বুধবার থেকেই জ্বলছে সন্দেশখালি। শনিবার সেখানে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। এর আগেও সন্দেশখালি (Sandeshkhali) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বারংবার রিপোর্ট চেয়েছেন রাজ্যের মুখ্য সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে। প্রথমে প্রশাসনে আস্থা রাখলেও এবার মহিলাদের উপর অত্যাচারের বিষয়ে নবান্নের হস্তক্ষেপ চাইলেন তিনি।

এদিকে, আজই রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল বোসের (CV Anand Bose) কাছে সন্দেশখালি ইস্যুতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন বিজেপি বিধায়কেরা। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ না করলে আগামী সোমবার প্রথমে বিধানসভা, তারপর ১৪৪ ধারা ভেঙে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যাবেন বলে হুঁশিয়ারিও দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেক্ষেত্রে রবিবার সন্দেশখালিতে যেতেও পারেন রাজ্যপাল।



ইতিমধ্যেই, অভিযুক্ত সন্দেশখালির (Sandeshkhali) জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম সর্দারকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। দলগত রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। নির্দেশ দেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, শেখ শাহজাহান বা শিবু হাজরার বিষয়ে নীরব শাসক দল।
সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ, নবান্নকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ রাজ্যপালের

সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পরিস্থিতি এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। কড়া নজরদারি চলছে পুলিশের। মোতায়েন করা হয়েছে র্যাফ বাহিনী। অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আজ সেখানে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন বিজেপির প্রতিনিধি দল। এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না কামদুনিকাণ্ডের দুই প্রতিবাদী মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়ালকেও।







