ভোটের দিন সকালেই গুরুতর অভিযোগে সরব মুখ্যমন্ত্রী—আগের রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ‘অত্যাচার’ চালিয়েছে বলে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। ভবানীপুরে বুথ পরিদর্শনের ফাঁকেই মোবাইলে ছবি দেখিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত করে তুললেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, ভোটের আগের রাতে প্রায় রাত ২টো নাগাদ স্থানীয় পুলিশ ছাড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনী ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলরের বাড়িতে যায়। সেই সময় কাউন্সিলর বাড়িতে না থাকলেও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাড়িতে ঢুকে ভয় দেখানো হয়, এমনকি মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।


এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। ভাঙড় এলাকায় পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগও তোলেন। বিশেষ করে বিজয়গঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে তৃণমূলের এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ করেন মমতা। তাঁর কথায়, “এভাবে অত্যাচার করার পরেও মানুষ কি ওদের ভোট দেবে?”
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তোলেন তিনি। অভিযোগ করেন, রাজ্যের বাইরে থেকে আসা কিছু পর্যবেক্ষক স্থানীয় থানাগুলির উপর চাপ তৈরি করছেন, যাতে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়। মমতার দাবি, “আমি সারা রাত জেগেছিলাম—দেখেছি কীভাবে চাপ তৈরি করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, বিজেপি ‘গায়ের জোরে’ নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তবে তৃণমূল কর্মীরা ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাবেন না বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বার্তা, কর্মীরা প্রয়োজনে লড়াই চালিয়ে যাবেন, কিন্তু নিজেদের জায়গা ছাড়বেন না।


সব মিলিয়ে, ভোটের দিনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই বিস্ফোরক অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হল।







