ভোট মিটলেও নিরাপত্তায় কোনও ঢিলেমি নয়—এই বার্তাই স্পষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন। অতীতের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অশান্তি রোখা।
দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হয়েছে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছুঁয়েছে ৮৯.৯৯ শতাংশ, যা প্রথম দফার (৮৯.৯৩%) তুলনায় সামান্য বেশি। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার খবর এলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশকেও সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছে।


এই পরিস্থিতি বজায় রাখতেই ভোট শেষ হওয়ার পরেও বাহিনী রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাহিনী রাজ্যেই মোতায়েন থাকবে।
এদিকে ভোটের শেষ লগ্নে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত-র সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি, সকল ভোটার যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।
সন্ধ্যা ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না—এই ভুয়ো খবর রটনার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছে কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পরেও যদি কোনও বুথে ভোটার লাইনে থাকেন, তবে তাঁদের ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ করতে হবে।


সব মিলিয়ে, ভোট মিটলেও প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত। লক্ষ্য—শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখা।







