সেখানে তিনি মৃত শান্তি দেবী এবং মঞ্জু দেবীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরে শান্তি ও মঞ্জু দেবীর পরিবারের সদস্যরা সংবাদসংস্থাকে জানান, রাহুল গান্ধী তাঁদের আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল জানান
এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় দেশের রাজনীতি। আর এবার হাথরাসে পদপিষ্টদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন রাহুল গান্ধী। আজ কংগ্রেসের তরফে একথা জানিয়েছেন কং সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। তিনি জানান, “হাথরাসের ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সেই জন্য হাথরাসে যেতে চাইছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা”।
নারায়ণ সাকার ওরফে ‘ভোলে বাবা’ নামে স্বঘোষিত এক ধর্মীয় গুরুর জন্য ‘মানব মঙ্গল মিলন সদ্ভাবনা অনুষ্ঠান কমিটি’-এর তরফে এই সৎসঙ্গের আয়োজন করা হয়। সেখানেই অংশ নেন হাজার হাজার ভক্ত। যাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন মহিলা।
লোকসভায় চলতি বিশেষ অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর হিন্দুধর্মকে নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এমনকি রেকর্ড থেকেও মুছে ফেলা হয়েছে রাহুলের ভাষণের কিছুটা অংশ।
বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে যে ভাষা স্ফুলিঙ্গ তৈরি হল, সেখানে কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে উঠে দাঁড়িয়ে বাধ্য হতে হল রাহুলকে থামাতে! তিনি থামলেন, সাময়িক, আবার শুরু করলেন, চিরকালীন?
স্পিকার ওম বিড়লাকেও কটাক্ষ করেন রাহুল। অভিযোগ করেন আর এক বার তাঁর মাইক বন্ধ করা নিয়ে। সঙ্গে বলেন, "মোদিজীকে দেখলেই আপনি ঝুঁকে যান কেন?" পাল্টা বিড়লা বলেছেন, "প্রয়োজনে পা ছোঁব!"
রাহুল গান্ধী একজন ব্যক্তিগত সচিব, দুজন অতিরিক্ত ব্যক্তিগত সচিব, দুই সহকারী ব্যক্তিগত সচিব, দুই ব্যক্তিগ সহকারী, একজন হিন্দি স্টেনো, একজন কেরানি, একজন ঝাড়ুদার এবং চারজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী পাবেন।